Home » প্রথম পাতা » ফতুল্লার কাশিপুরে মোস্তফার অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

গৃহবন্দী না’গঞ্জের রাজনীতি!

২৩ নভেম্বর, ২০২২ | ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 23 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার, রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে নিকটবর্তী জেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক বাহক নারায়ণগঞ্জের সামগ্রিক রাজনীতি এখন আর আগের মতো নেই বলে মনে করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তাদের মতে, রাজনীতি হয়ে পড়েছে দৃশ্যত ক্ষমতাসীন দলকেন্দ্রিক। আওয়ামী লীগের রাজনীতিও চলছে গতানুগতিক। বলা যায় মাঠে ময়দানের রাজনীতি অনেকটা অনুপস্থিত। জেলার রাজনৈতিক প্রবীণ ব্যক্তিদের মতে, এখন আর জনকল্যাণকর বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনীতির চর্চা নেই বললেই চলে। বিএনপির রাজনীতি চলছে, এক রকম ঘরবন্দী অবস্থায়। জাতীয় পার্টি জেলায় মোটেও দৃশ্যমান নয়। একেবারেই কোন কর্মকান্ড নেই তাদের। ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাসদ ও সিপিবিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে সংবাদ সম্মেলন, সভা সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন করতে দেখা গেলেও বর্তমানে ঠান্ডাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথা, বিএনপির সরব রাজনীতি করার বাস্তবতাও নেই। জাতীয় দিবসগুলোতে মাঝে মাঝে মিছিল মিটিং করতে দেখা গেলেও অধিকাংশ সময়েই পুষ্পমাল্য অর্পণসহ টুকিটাকি কর্মকান্ডে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি। মিটিং করলেও দলীয় কার্যালয়ে পুলিশ বেষ্টিত এবং অত্যন্ত সতর্কতার সাথে করতে হয়। মামলায় জর্জরিত নেতা কর্মীদের আদালতের বারান্দায় কাটাতে হয় দিন, সপ্তাহ, মাসের বেশীরভাগ সময়। বিএনপির বর্তমান সময়ে যারা রাজনীতি করছেন তাদের অনেকেরই বক্তব্য, কী করবো, সবখানেই একই অবস্থা। পুলিশ সরকারী দলের মতো আচরণ করে। সাম্প্রতিক আ.লীগের রাজনীতি বেশ চাঙ্গা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সর্বশেষ, জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সাধারন নেতাকর্মীদের মাঝে চাঙ্গাভাব লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু রহস্যজনক কারনে, মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন স্থগিত করা হলেও পূর্বের কমিটির আদলে জেলা আওয়ামীলীগের আংশিক কমিটির ঘোষনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তাছাড়া দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমর্থিত নেতৃবৃন্দের মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ ও তাদের সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা কিছুটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠছে। নেতা-কর্মীদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে সবখানে। আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের অনেকেই ঝিমিয়ে থাকা নেতা-কর্মীদের নিয়ে দলীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের চেষ্টা করছে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকায় দলীয় কর্মকান্ড চলছে। অথচ এর বিপরীতে বিরোধী দলের চোখে পড়ার মতো কোন কর্মকান্ড নেই। জেলা-উপজেলার অন্যান্য রাজনৈতিক দল অনেকটা প্রেস রিলিজ সর্বস্ব হয়ে পড়ছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *