Home » প্রথম পাতা » আজ আসছেন শামীম-আইভী

ঘুরে দাঁড়াতে চায় দেওভোগের মিনি গামের্ন্টস ব্যবসায়ীরা

২০ নভেম্বর, ২০২০ | ১০:৩১ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 14755 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
তীব্রতা না বাড়লেও বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে শীতের আবহ। আর কয়েকদিন পরেই জেকে বসতে পারে শীত। করোনায় লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন দেওভোগ মার্কেটের গার্মেন্টসপল্লীর ব্যবসায়ীরা। তাই শীত মৌসুমকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার দেওভোগ মার্কেট খ্যাত গার্মেন্টসপল্লী। সরেজমিনে কয়েকটি কারখানা ও শো-রুমে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চলছে শীতের পোশাক বিক্রি ও তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি। সব বয়সের মানুষের জন্য নানা ধরনের পোশাক তৈরিতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগররা। ছেলেদের জ্যাকেট, কোট, মেয়েদের সোয়েটার, কার্ডিগেন, বাচ্চাদের বাহারি রঙের শীতের পোশাকসহ সবই তৈরি হচ্ছে এখানে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন কারিগররা। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ জামা সেলাই করছেন, কেউ প্যাকেটিং করছেন, কখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হচ্ছে সেই খবর নেই তাঁদের। এক কারখানা মালিক বলেন, ‘একটা সিজন কাজ করতে পারি নাই। ধারদেনা করে সংসার ও কারিগর চালাতে হয়েছে। ইনশাআল্লাহ শীতের কাজ করে সব ধারদেনা শোধ করতে পারব।’ দেওভোগের এ মিনি গার্মেন্টসপল্লীতে প্রায় তিন হাজার শো-রুম ও মিনি কারখানা রয়েছে। এসব শো-রুম, কারখানা থেকে পাইকারি পোশাক কিনতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ক্রেতারা আসেন। শোরুমগুলোতেও এরই মধ্যে উঠেতে শুরু করেছে শীতের বাহারি পোশাক। প্রতিটি শোরুমে ঝুলছে নানা রঙের নানা সাইজের শীতের পোশাক। দাম কম, সেই সঙ্গে গুণগত মান অনেক ভালো এখানকার শীতের পোশাকের। দেওভোগের এ মিনি গার্মেন্টস পল্লীর ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা বলেন, ‘আমাদের গার্মেন্টসপল্লী রোজার ঈদের পরপরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের নির্দেশ মোতাবেক চালু হয়েছে। এরই মধ্যে শীত মৌসুমের বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। করোনার কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে শীতের পোশাক এসেছে কম। তাই আমাদের দেওভোগের তৈরি পোশাকের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। গত এক সপ্তাহে যে বেচাকেনা হয়েছে এমন চলতে থাকলে দেওভোগের গার্মেন্টস পল্লীর জন্য আমরা ভালো কিছু দেখছি’।

Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।