Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

ছাত্রলীগ নেতার ফাঁদে যুব মহিলালীগ নেত্রী

১০ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:০২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 114 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

রুপগঞ্জের তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মনির খান সুমেলের বিরুদ্ধে মাহমুদা আক্তার নামে এক যুবলীগ নেত্রীকে ৯ মাস পূর্বে বিয়ে করে বর্তমানে দ্বিতীয় বিয়ের অজুহাতে তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিতা নারীর অভিযোগ- বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মতো শারিরীক সম্পর্ক করলেও তার দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা যৌতুক দিতে না পারায় সুমেল এখন তাকে স্ত্রী হিসেবে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি না দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করার চেষ্টা চালাচ্ছে।   এ বিষয়কে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেত্রী মাহমুদা লম্পট মোঃ মনির খান সুমেলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী “ঘ” অঞ্চল আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরনে জানা যায়, তারাবো হাটিপাড়া এলাকার মনির হোসেন ও মর্জিনা বেগম এর কন্যা মাহমুদা আক্তার। তারাবো’র মোঃ এমদাদ হোসেন খান ও আয়শা বেগমের পুত্র মোঃ মনির খান সুমেল গত ৩১ অক্টোবর ২০২১ইং সকাল ১০ ঘটিকার সময় বাদীর বর্তমান ঠিকানা বড় চেঙ্গাইন বরাব সোনারগাঁয় অবস্থিত মাহমুদার বাড়িতে এসে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। মাহমুদা টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাকে গালিগালাজ করে দাবীকৃত টাকা না দিলে ঘর সংসার করবেনা এবং প্রয়োজনে বাদীকে তালাক দিয়ে অধিক টাকা যৌতুক নিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবে বলে হুমকি দেয়। এর আগেও যৌতুকলোভী সুমেল গত ২২ অক্টোবর ৫ লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে চাপ প্রয়োগ করে এবং সেদিনই এক কাপরে স্ত্রী মাহমুদাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। টাকা না নিয়ে বাড়িতে এলে হুমকি ধামকি প্রদান করে। মামলায় বাদী মাহমুদা আক্তার আরো উল্লেখ করেন- ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রেশন মূলে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে হয়। বর্তমানে সেই বিয়ে অস্বীকার করে লম্পট সুমেল। সাংবাদিকদের হাতে তাদের বিয়ের কাবিননামা সহ মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষিত আছে। মাহমুদা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি যুব মহিলা লীগ করতাম, ও ছাত্রলীগ করে। এভাবে আমাদের পরিচয়। আমাকে বিয়ে করে বান্টি এলাকায় বাসা নিয়ে রাখে। সপ্তাহে ২/৩ দিন গিয়ে থাকতো। এখন অন্যত্র বিয়ে করার জন্য আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেনা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে গিয়েছি। তারাবোর সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর কাছেও গিয়েছি, কিন্তু কেউ আমাকে সঠিক বিচার পেতে সহযোগিতা করছে না। এদিকে সুমেল বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে ও মোবাইল ফোনে আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের খুন করা সহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। সুমেলের দ্বারা প্রাণ নাশের ভয়ে রুপগঞ্জ ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলেও এ প্রতিবেদককে জানান মাহমুদা। এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা মনির খান সুমেলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং উল্টো মাহমুদার বিরুদ্ধে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করার কথা বলেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *