Home » প্রথম পাতা » না’গঞ্জে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু

জট খুলেনি বিএনপির ইউনিট কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া

২৬ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 118 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

কমিটির বানিজ্যের অভিযোগে বিএনপির ইউনিট বা থানা কমিটি গঠন আটকে যাওয়ায় বিপাকে নেতা-কর্মীরা। যার দরুন নতুন নেতৃত্বে মুখ দেখা মিলছে না। দীর্ঘ ১০ বছর পর সোনারগাঁ থানা কমিটির ঘোষনার প্রস্তুতি থকলেও তা বন্ধ হয়ে যায়। অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় কমিটি গঠন। এদিকে কমিটি ঘোষনার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলায় ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি করে যাচাই-বাছাই কমিটিও করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বিএনপি। সেই লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় বিএনপি আহবায়ক কমিটির ঘোষনার কার্যক্রম অনেকটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু কমিটি বানিজ্যের অভিযোগে তা থমকে যায়। সুত্র জানান, গত ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার বছর দুয়েক পর খন্দকার আবু জাফরকে সভাপতি ও আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সেক্রেটারী করে সোনারগাঁ থানা বিএনপি কমিটি ঘোষনা করা হয়। কমিটি ঘোষনার পর প্রায় ১০ বছর পর নতুন করে থানা কমিটি ঘোষনা করার সিদ্বান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি। সে লক্ষ্যে গত মাস খানেক আগে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি করে যাচাই-বাছাই কমিটি করে দেয়া হয়। কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয় যারা আহবায়ক কমিটিতে আসতে চান তাদের দলের প্রতি ভালবাসা, আন্দোলন, সংগ্রাম ও দল ও দলের নেতাকর্মীর উপর আস্থা এবং যারা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দলের ডাকে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে যারা জেল জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মুলত সে সব নেতাদের বের করে তাদের দীর্ঘদিনের আমল নামার উপর কেন্দ্রে রির্পোট প্রদান করবেন। কেন্দ্র সেগুলোকে ফের যাচাই-বাছাই করে দলের ত্যাগী নেতাদের আহবায়ক কমিটিতে স্থান দিবেন বলে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, আহবায়ক কমিটি ঘোষনার করা হবে এ ঘোষনার পর থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে স্থান পেতে একাধিক ত্যাগী নেতা দলের হাই কমান্ড ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। সবাই যে যার মতো দলে স্থান পেতে তাদের পছন্দ ও ক্ষমতাশীন নেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। সোনারগাঁ থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে স্থান পেতে আহবায়ক পদে বর্তমান থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নান ও থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম টিটসহ ৩জন জোর লবিং চালাচ্ছেন। এদিকে সদস্য সচিব পদের জন্য মাঠে নেমেছেন থানা যুবদলের সাবেক সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন, কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সভাপতি হাজী সেলিম হোসেন রুমী, নারায়ণগঞ্জ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম মুকুলসহ সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপি বর্তমান সভাপতি কামরুজ্জামান মাসুম। আহবায়ক কমিটি ও সদস্য সচিব পদে যারা আসতে চান তারা সবাই দাবি করেছেন তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) ও শহীদ জিয়ার আর্দশের সৈনিক। সব সময় সরকার বিরোধী আন্দোলনে তাদের ভুমিকা অপরিসীম দাবি করে তারা জানান, ছাত্র ও যুবক বয়সেই তারা শহীদ জিয়াকে ভালবেসে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। দলের নির্দেশ মোতাবেক রাজপথে থেকে দলের নির্দেশে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহন করে হামলা-মামলা ও জেল খেটেছেন। দলের দু:সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা ও দলের যুগ্ন মহাসচিব তারেক রহমানে নির্দেশে অতিতের মতো এখনও রাজপথে থেকে সরকার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। সেই জন্য তারা সবাই আশাবাদি দল তাদের যোগ্য পদে মুল্যায়ন করবে। তারা আরো জানান, এ ছাড়া দল যাকে দলের যোগ্য মনে করে আহবায়ক ও সদস্য সচিব বানাবেন তারা তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে কাজ করে যাবেন।

 

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *