আজ: মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সকাল ৬:৩৪

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

জেলা পুলিশের চেকপোস্টগুলো নিস্ত্রীয়

ডান্ডিবার্তা | ১২ জুলাই, ২০২০ | ৩:৫২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নারায়ণগঞ্জে প্রশংসনীয় ভূমিকায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে জেলার অনেক পুলিশ সদস্যও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করতে হয়েছে পুলিশ সদস্যদের। তবে নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি অনেকটা সিথিল হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে অপরাধীরাও সক্রিয় হয়ে উঠছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রনে জেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট থাকলেও নিয়মিত ভাবে চেকপোস্টগুলোতে পুলিশ সদস্যদের দেখা যায় না। অধিকাংশ সময়েই চেকপোস্টগুলো ফাঁকা দেখা যায়। আবার কোন কোন সময় পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও চেকপোস্টে থাকা রুমে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পাড় করছেন। তবে জনবল সংকটে চেকপোস্টগুলো ফাঁকা থাকে কিনা তা প্রশ্ন রেখে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রাতের বেলায় প্রতিটি চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু দিনের বেলায় চেকপোস্টে থাকা পুলিশ সদস্যরা চেকপোস্টে ছাড়াও সড়কে টহল দিয়ে থাকেন। এদিকে, সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাতেও চেকপোস্টগুলোতে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায় না। অনেক সময় চেকপোস্টগুলোতে কনস্টেবলদের দায়িত্বে রেখে ইনচার্জ বাড়িতে কিংবা অন্য কাজে চলে যাচ্ছেন। আর এই সুযোগে কনস্টেবলরা অনেক সময় বেআইনী ভাবে অর্থ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। সূত্র বলছে, সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা থাকলেও জেলার স্থায়ী পুলিশ চেকপোস্ট নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মুন্সীখোলা, কাশীপুর, জালকুড়ি, সাইনবোর্ড খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, হাজীগঞ্জ আইইইটি স্কুল সংলগ্ন, সৈয়দপুর তারাবো পৌরসভা, মেঘনা টোল প্লাজা, কাঞ্চন ব্রীজ এলাকায় স্থায়ী পুলিশ চেকপোস্ট রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্টসহ মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানাযায়। প্রত্যেক চেকপোস্টে একজন উপ-পরিদর্শক বা সহকারী উপ-পরিদর্শকের নেতৃত্বে ৩ জন করে কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে দায়িত্বরত দারোগাদের মধ্যে কেউ থাকে সশস্ত্র আবার কেউ নিরস্ত্র। কনস্টেবলদের কাছে থাকে চাইনিজ রাইফেল ও শর্টগান। এরমধ্যে দায়িত্বে থাকা ইনচার্জ নির্দিষ্ট সময় শেষে কনস্টেবলদের রেখে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। এতে অনেকটা ঝুঁকির মধ্যে থাকেন কনস্টেবলরা। কেননা বিগত সময়ে বেশ কয়েকবার তল্লাশী করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে জনস্বার্থে পুলিশের চেকপোসগুলো আরো সক্রিয় করতে জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীতায় পুলিশের চেকপোস্ট কমানো হয় এবং বাড়ানোও হয়। পাশাপাশি চেকপোস্টেগুলো নিয়মিত মনিটরিং করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *