আজ: রবিবার | ১২ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৮শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | সন্ধ্যা ৭:০৩

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

টিসিবির চাল বিক্রিতে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না

ডান্ডিবার্তা | ১২ এপ্রিল, ২০২০ | ১১:২৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই নারায়ণগঞ্জে টিসিবির চাল বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে এর থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রামণ হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। কিন্তু ক্রেতাদের ভীড় সামাল দিতে গিয়ে বিক্রেতাদের হিমশিম খেতে দেখা গেছে বলে জানান এলাকাবাসী। গতকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের দিগুবাবু বাজার মোড়ে গাড়িতে করে ওই চাল বিক্রি করা হয়। যেখানে দেখা যায় অর্ধশতাধিক মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। যাদের মধ্যে নির্দিষ্ট কোন দূরত্ব ছিল না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। এ সময় শ্রমজীবী মানুষ কাজ পাচ্ছেন না। তাঁদের আয় কমে গেছে। এর মধ্যে বাজারে মোটা চালের দাম বেশ বেড়ে গেছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি টিসিবির মাধ্যমে চাল বিক্রি শুরু করে। বিক্রেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ওএমএসের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রির কথা বলেন। খাদ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে ধারবাহিক ভাবে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।বিক্রেতারা আরো জানান, একজন ক্রেতা ১০টায় সপ্তাহে ৫ কেজি চাল কিনতে পারেন। বিক্রির সময় ক্রেতার বিস্তারিত তথ্য যেমন এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য রাখা হয়। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির কাছে চাল বিক্রি করা হয় না। এছাড়া পরিবারের কেউ যদি খাদ্যবান্ধব অথবা ভিজিডি কর্মসূচির উপকারভোগী হন, তিনিও ১০ টাকা কেজির চাল কিনতে পারবেন না। সপ্তাহে তিন দিন রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চাল বিক্রি করা হবে। চাল কিনতে আসা আমেনা বেগম বলেন, নি¤œবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত সবাই কর্মহীন হয়ে অভাবে আছেন। সবাই কমমূল্যে চাল কিনতে চায়। যার জন্য সবাই এখানে আসেন। কিন্তু সপ্তাহে তিনদিন চাল বিক্রি করেন। যার জন্য ভীড় বেশি হয়। প্রতিদিন বিক্রি হলে এমন ভীড় হতো না। তিনি বলেন, ‘চারজনের সংসার প্রতিদিন নূন্যতম ১ কেজি চাল লাগলেও সপ্তাহে ৭ কেজি চাল প্রয়োজন হয়। তাই চালের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হোক। আর শুধু চাল নয় এর সঙ্গে তেল, ডাল, পেয়াজ, লবণ ও আটাও বিক্রি করা হোক। কারণ এসব জিনিস পত্রের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে বিক্রেতারা। বাড়িয়ে বিক্রির জন্য এসব কিনতে গেলে বলে শেষ হয়ে গেছে। কালকে আসেন। একদিন পর গেলেই কেজিতে ২ থেকে ৫টাকা বাড়িয়ে দেয়।’ বিক্রেতারা বলেন, সরকার যা দিয়েছে আমরা তাই বিক্রি করছি। সরকার থেকে দেওয়া হলে আমরা অন্য কিছুও বিক্রি করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *