Home » শেষের পাতা » স্কুল ছাত্র ধ্রুব হত্যায় খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী আমাদের শত্রুরাও বলে দেশে উন্নয়ন হয়েছে

০৬ জানুয়ারি, ২০২২ | ৯:২২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 36 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

‘একটা জাতিকে আস্তাকুঁড় থেকে উঠিয়ে পৃথীবির মাঝখানের একটা অবস্থানে বসানো যায়? সেটাই দেখিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমার নিবেদন থাকবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে, বাঙ্গালীর কল্যাণে, বাঙ্গালীর প্রয়োজনে, বর্গির হাত থেকে বাংলাকে রক্ষার প্রয়োজনে আমাদের উচিৎ হবে আওয়ামী লীগের পাশে দাঁড়ানো ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ানো। আমি আশা করি, নারায়ণগঞ্জবাসী সে দায়িত্বটুকু পালন করবে।’ গতকাল বুধবার বিকালে শহরের গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আনিছুর রহমান জুয়েলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সোনারগাঁ আসনের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা, আড়াইহাজার আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান আরও বলেন, আমাদের পরম শত্রুও বলে উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়ন কেন হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজলে দেখা যাবে নেতৃত্বের ধারাবাহীকতা। ঠান্ডা মাথায়, যোগ্য নেতৃত্বে এক টানা ১৩ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছে বলেই সম্ভব হয়েছে। এ জন্য কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে, অর্থনীতিকে উন্নয়ন করতে হয়েছে। তাহলে আমরা কেন আমাদের নেত্রীর পাশে আমরা দাঁড়াবো না। এই নেত্রী যদি ধারাবাহীতা অক্ষুন্ন রেখে আরও কিছু দিন কাজ করার সুযোগ পায়, দেশের মানুষের কল্যাণ হবে, সাধারণ মানুষের মঙ্গল হবে। সকলের কথা চিন্তা করে, আমাদের দলের প্রধান ও দেশের সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, ‘এত মুখোশ পড়া মানুষ, এত মেকআপ করা মানুষ। কিন্তু মুখোশের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা বিভৎস চেহারা। বিভৎস চেহারা গুলো থেকে যখন মুখোশ খুলে, তখন দেখি আর আতঙ্কিত হই। মুখোশই একটা চেহারা। নারায়ণগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আনিছুর রহমান জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনারগাঁ আসনের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা, আড়াইহাজার আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। শামীম ওসমান বলেন, আমি খান সাহেব ওসমান আলীর নাতী, যে ১৯২২ সালে রোলস রয়েলস গাড়ী কিনেছেন। আমি একেএম সামসুজ্জোহার ছেলে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার একদিন পর যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জেলখানায় যখন জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয়, পাশের কক্ষে আমার বাবাও ছিল। আমার বড় ভাই নাসিম ওসমানের বিয়ের রাতেই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের প্রতিশোধ নিতে বের হয়েছিলেন। ৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে আমরা এক বেলা ভাত খেয়েছি, দু’বেলা খাইনি। পরীক্ষার ফর্ম ফিলাম করতে পাড়িনি ৯০০ টাকার জন্য। আমরা এটাও দেখেছি, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ১০ জানুয়ারি যখন প্রত্যাবর্তন করেন, তখন সবচেয়ে সুন্দর কান্না কেঁদে ছিল খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ। এইটাও ছিল নাটকিয়তা। শামীম ওসমান বলেন, আমি সেই রাজনীতি করি, ২০০১ সালে যখন ১৬ জুনে বোমা বিস্ফোরণ হয়ে ছিল, আমার ২০ জন মানুষ টুকরা টুকরা হয়ে গেছে, আমার চন্দনশীল-রতনের দু’টো করে পা আজকে নাই। সেই খানে অনেকেই বলছিলেন, কিছু বলবেন? কিছু বলবেন? যারা এখনও আমার পরীক্ষা নিতে চান, তাদের উদ্দেশে বলছি, সেদিন আমি কানেও শুনছিলাম না, চোখেও দেখছিলাম না। আমি তখন চোখ খুলে একটাই কথা বলে ছিলাম, শেখ হাসিনাকে বাঁচান। কারণ, আমি সেই কথা বলে ছিলাম অন্তর থেকে। আমরা ওই রাজনীতি করি, বাঁচবো কি মরবো, জানি না। তখনও বলি শেখ হাসিনাকে বাঁচান। আফজাল হোসেন পন্টির সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের সদস্য কাশেম হুমায়ন, বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব শেখ মামুনুর রশিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজ্জাদ আলম তপু, বিকেএমইএ’র প্রাক্তন সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আরিফ আলম দীপু, রুমন রেজা, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালাম প্রমুখ।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *