আজ: মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সকাল ৬:২৬

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

তক্কারমাঠে চাদাঁবাজদের কাছে জিম্মি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা!

ডান্ডিবার্তা | ০৭ জুলাই, ২০২০ | ৬:৪৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ফতুল্লা মডেল থানাধীন তক্কারমাঠ এলাকায় আওয়ামী লীগ নামধারী চাদাঁবাজ সানোয়ার হোসেন জুয়েল বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। গত ২ জুলাই ৩৩ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জুয়েল বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ৬৯৪৭ স্মারক পত্রে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, আমরা তক্কারমাঠ চত্ত্বরে সরকারী রাস্তার উপরে মাছ,মাংশ,সব্জী ও ফলমূল ভ্যানগাড়ী যোগে বিক্রি করে থাকি। কিন্তু প্রতিদিন সকাল ৯ টা হতে ১০ টার মধ্যে আওয়ামী লীগের নামধারী চাদাঁবাজ সানোয়ার হোসেন জুয়েলকে জনপ্রতি ৫০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। নৈশ প্রহরী আলমগীর হোসেন ও মোঃ চুন্নু মিয়া চাঁদার টাকা উত্তোলন করে থাকে। লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ছবির সাথে নিজের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার টাঙ্গিয়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে চাদাঁবাজি করছে জুয়েল ও তার সহযোগীরা। আওয়ামী লীগে কোন পদ না থাকলেও তক্কারমাঠ বায়তুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতির পদ দখল করে আছে জুয়েল। তার ছত্রছায়ায় তারই ফুফা আবুল মিয়া সেক্রেটারির পদ দখল করে আছে। যার বিরুদ্ধে ৯৬ সনে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছিল। পরে বাড়ি বিক্রি করে মসজিদের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। সানোয়ার হোসেন জুয়েলের ভাই ভাতিজারা এলাকাবাসীকে জুলুম নির্যাতন চালিয়ে আসছে। শামীম, অয়ন, শান্ত, নেকবর, আয়নাল গংরা এলাকায় মাদক বিক্রি করে থাকে। এদের অনেকে পুলিশের হাতে মাদক সহ আটক হয়। যা গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। অপর দিকে জুয়েল কোন ব্যবসা বানিজ্য বা চাকুরী না করে মোটা অংকের টাকার মালিক বনে গেছে রহস্যজনক কারনে। ৩৩ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জুয়েল বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপার ও সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *