আজ: শনিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২রা সফর, ১৪৪২ হিজরি | রাত ৯:২০

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

তবুও তৎপরতা নেই না’গঞ্জ বিএনপির!

ডান্ডিবার্তা | ২৪ আগস্ট, ২০১৯ | ৭:৩৬

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
দলীয় কোন্দল নিয়ে যখন ক্ষমতাসীনরা ব্যস্ত তখন সাংগঠনিক গতি ফিরিয়ে আনতে কোন প্রকার তৎপরতা নেই নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতাদের মধ্যে। গত কয়েক মাস ধরেই ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দলীয় কোন্দলের কারণে নিজেরাই নিজেদের ঘায়েল করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। তাই রাজনীতির মাঠ ফাঁকা থাকলেও তেমন সুবিধা করতে পারছে না বিএনপির নেতারা। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা রাজপথে নামতে অনীহার কারণে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এখন রাজপথ ভুগে গেছে। অথচ বিগত সময়ে নেতারা রাজপথে না থাকলেও মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থাকতেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার বিরোধী আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের রাজপথে নেতাদের দেখা না গেলেও কর্মীরা রাজপথে কর্মসূচী পালনে পিছু হটেনি। বর্তমানে দলের ক্রান্তি সময়েও নেতারা নিজেদের স্বার্থ আদায়ে ব্যস্ত রয়েছেন। কমিটি নিয়ে বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে। এজন্য ত্যাগী অনেক নেতাও হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা যথাযথ দায়িত্ব পালনে অনীহার কারণেই রাজপথে নিজেদের জানান দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থান বাম রাজনৈতিক সংগঠনের চেয়েও দূর্বল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও দলের এই দু:সময়েও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার কোন কোন নেতা দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে নিজের অবস্থান শক্ত করারও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির অনেক নেতা ক্ষমতাসীন দলের সাথে আতাঁত করায় কর্মীরাও এখন হতাশাগ্রস্থ হয়ে রাজপথে নামতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন সময় কর্মসূচী পালনে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা হুংকার দিলেও শেষ পর্যন্ত ঐ গলিতেই দাঁড়িয়ে কর্মসূচী পালন করছেন। অথবা শীর্ষ নেতাদের নিজস্ব কার্যালয়ে ফটোসেশন ভাড়া করা লোকদের নিয়ে ফটোসেশন করছেন। আর একারণেই নারায়ণগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান দিন দিন নড়বড়ে হয়ে পড়ছে। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, স্থানীয় শীর্ষ নেতারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে রাজপথে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাটা শুধু সময়ের ব্যাপার। কিন্তু নেতারা ঐক্যবদ্ধ না হয়ে উল্টো দলের দু:সময়ে হাল ছেড়ে দিয়ে কমিটি নিয়ে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ভাবে ফায়দা লুটছেন। সঠিক পরিকল্পনা তো নেই বরং প্রেস বিজ্ঞপ্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ কেন্দ্রের কার্যক্রম। দলীয় কর্মকান্ডে না থাকলেও স্থানীয় নেতারা ব্যস্ত নিজেদের সুযোগ-সুবিধা আদায়ে। নিজের পদ পেতে এবং অনুসারীদের পদ পাইয়ে দিতেই বেশি তৎপর তারা। অনেকে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে অনেকটা আয়েশিভাবে সময় পার করছেন। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ওপর ঝড় বইয়ে গেলেও শীর্ষ নেতাদের সেদিকে নজর নেই। ফলে দিন দিন বাড়ছে হতাশা ও ক্ষোভ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *