Home » শেষের পাতা » হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সড়ক-মহাসড়কে চলছে চাঁদাবাজী

তৈমুরকে বাদ দিয়ে লাভবান কারা?

২৫ মে, ২০২২ | ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 103 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। দলটির এমন সিদ্ধান্তের পরও ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছেন। অনেক জায়গায় জিতেও এসেছেন তারা। বিজয়ী প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কারের তেমন কোনো নজির তৈরি করেনি বিএনপি। কিন্তু, এড.তৈমুর আলম খন্দকারের বেলায় হয়েছে তার ব্যতিক্রম। বিভিন্ন নির্বাচনে নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে নামার ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়েছিলেন চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারও। কিন্তু ভোটে নাম লেখানোর পরই বিএনপির বিভিন্ন পদ-পদবি থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আর ভোটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর কাছে বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পর তাকে বিএনপি থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু, এড.তৈমুর আলম খন্দকারকে বহিস্কারে কার লাভ হয়েছে, আর কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? এমন প্রশ্নে জবাব এখনো পায়নি দলের সাধারণ নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রতীক না দিলেও নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না। তৈমূর আলম খন্দকার হেরে গেছেন, তাই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে। যদি জিততে পারতেন, তাহলে নিশ্চয়ই দল এ সিদ্ধান্ত নিতো না। নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনে তৈমূর অংশ নেওয়ার কারণে সেখানকার নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়েছেন দাবি করে এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, একজন ‘আবাসিক নেতা’র কূটমন্ত্রে তাকে বহিষ্কার করা হলো। ছ’মাস-এক বছরের মধ্যে ওই নেতার যখন পদ বদলি হবে তখন প্রমোশন দিয়ে তৈমূরকে বিএনপি বরণ করে নেবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির দায়িত্বশীল নেতা বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রতীক না দিলেও নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না। তৈমূর আলম খন্দকার হেরে গেছেন, তাই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে। যদি জিততে পারতেন, তাহলে নিশ্চয়ই দল এ সিদ্ধান্ত নিতো না। তৈমূর আলম খন্দকারকে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও এ টি এম কামালকে (নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট) প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পদধারী কেউ নির্বাচন করলে তাকে বহিষ্কার করা হবে। শিগগির তৈমূর আলম খন্দকারকে দলে ফেরানোর কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপাতত দলের এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তৈমূর আলম বলেন, দল আমাকে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে মুক্তি দিয়েছে। এখন আমার সামনে দুটি কাজই খুঁজে পেয়েছি। একটি হলো যাকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং ভোট ডাকাতির মেশিন ইভিএমের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা। আমি বিএনপির পক্ষেই কাজ করে যাবো।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *