Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

তৈমূরের মসজিদে প্রচারণায় ক্ষুদ্ধ আইভী

০২ জানুয়ারি, ২০২২ | ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 49 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, আমি প্রশাসনের সুবিধা নেইনি, কখনও নিবোও না। আমার তো মনে হয় তিনিই সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগী প্রশাসনের। তিনি মসজিদে গিয়ে গিয়ে প্রচারনা চালাচ্ছে তাকে কী কেউ কিছু বলেছে। এসকল অভিযোগ অবান্তর। সময় যত ঘনিয়ে আসবে এসকল অভিযোগ কমতে থাকবে। গতকাল শনিবার সকালে সানারপাড় এলাকায় প্রচার প্রচারনায় নেমে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন আইভী। শামীম ওসমানের সমর্থন প্রসঙ্গে আইভী বলেন, এসকল কথা অনেকবার বলেছি। নির্বাচনের মধ্যে থাকাই আমাদের জন্য ভাল। আমি তৈমুর আলম খন্দকারের সাথে নির্বাচন করছি। আমার আরও কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী আছে  তাদেরকে নিয়ে কথা বললেই ভাল। বার বার একজনকে টেনে এনে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলা ঠিক না। তিনি বলেন, আমি মনেকরি ইয়াং জেনারেশনের জন্য প্রত্যেকটা জায়গায় চেষ্টা করেছি খেলার মাঠ পার্ক করার জন্য। যদিও এখানে কোন জায়গা নেই। সরকারি জায়গা একোয়ার করার চিন্তা ভাবনা করছি। ইয়াং জেনারেশন দেখেছে আমি স্বচ্ছ রাজনীতি করি, আমি মিথ্যার আশ্রয় নেইনি। আমি কখনও চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী করিনি। আমি উন্নয়নের রাজনীতি করি স্পষ্ট কথা বলি। আজকের ইয়াং জেনারেশন খুবই ট্যালেন্টেড তারা এগুলো দেখে বোঝে। একারনে আমি মনে করি ইয়াং জেনারেশন আমার পক্ষে থাকবে। কারণ কেউ বলতে পারবে না আমি কারও সাথে খারাপ ব্যাবহার করেছি সন্ত্রাসী করেছি। তিনি আরও বলেন, আমি আমার কাজ কন্টিনিউ করবো, জলাশয় সংরক্ষণ, খেলার মাঠ পার্ক করা। পাশাপাশি এই এলাকায় ওয়াসার পানি আসেনি। ঢাকা ওয়াসা যখন ছিল তখন এখানে পানি দেয়া হয়নি। আমি সুপেয় পানি দেয়ার চেষ্টা করবো। তিনি আরো বলেন, আপনাদের কাছে ভোট চাইতে এসেছি। ২০১১ সালে এসেছিলাম আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক নিয়ে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে সেই প্রতীকে এই এলাকা থেকে ভোট দিয়েছিলেন আমি এই ওয়ার্ডে একশো কেটি টাকার কাজ করেছি। এটা আপনাদের ট্যাক্সের টাকায়। আপনারা ট্যাক্স দেন পাঁচ-ছয় কোটি টাকা। বাকি টাকা প্রধানমন্ত্রী আমাকে দিয়েছেন। কারণ নৌকায় ভোট দেয়ার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরও আপনাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে। যে কাজগুলো আপনারা চান সেগুলো করে দেয়ার জন্য তিনি তার মেয়রকে টাকা দেয় বলেই কাজ করতে পারি। আইভী বলেন, আমি সবসময় দল মত নির্বিশেষে কাজ করছি। কখনও আওয়ামী লীগ বা বিএনপি দেখিনি। সকলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি, সকলের কাজ করে দেয়ার চেষ্টা করেছি। তাই আমি মনে করি আপনাদের কাছে আমার দাবি আছে ভোট চাওয়ার, আপনারা যে দলই করেননা কেন। ”এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিলে এমন না যে দেশে পরিবর্তন হয়ে যাবে। আজকে যারা হাতি মার্কায় নির্বাচন করছে তাদের মাঝে রব উঠেছে সরকারকে ধাক্কা দেয়ার। কোনদিনও সম্ভব নয় এভাবে সরকারকে ধাক্কা দেয়া। এটা শেখ হাসিনার স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন না যে আপনারা মার্কা দেখে নির্বাচন দিবেন। তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন।” আপনাদের দাবি এই এলাকায় বড় খেলার মাঠ নাই। আপনাদের কাউন্সিলর আমাকে বহুবার বলেছে এখানে বড় কবরস্থান নাই। আমরা চেষ্টা করবো জায়গা একোয়ার করে মাঠ, হসপিটার আর একটা কবরস্থান করার জন্য। আমাদের নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের চারটা হসপিটাল আছে। আমরা ৮ নং ওয়ার্ডে জায়গা পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছে যেখানে জায়গা নেই সেখানে জায়গা একোয়ার করে কাজ করতে হবে। আপনারা চিন্তা করবেন না, আমি সব করে দেব। তিনি আরো বলেন, জালকুড়িতেই তিনশো কোটি টাকা দিয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ হবে। সেখানে অনেক সুন্দর করে কাজ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই এটা উদ্বোধন করবেন। আমরা শীতলক্ষ্যা ব্রীজ করছি, নদীর এপার ওপার যোগাযোগ করার জন্য। এই টাকার প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে পাঁচশো কোটি টাকা। খাল খনন করা হয়েছে বাকি যেগুলো আছে সেগুলোও খনন করা হবে। আমি কখনো দলবাজি করিনি, দলের উর্ধে উঠে কাজ করেছি। মেয়র বলেন, ধার্মিক ভাইদের বলতে চাই নৌকার জন্য আপনারা আমাকে ভোট দিবেননা এটা হতেই পারে না। এই নৌকা বিজয়ের, আওয়ামীলীগের এবং একাত্তরের। সেভাবেই এ নৌকা নূহ আঃ এর নৌকা। নূহ নবীর নৌকায় কিন্তু হাতি মানুষ ঘোড়া সব উঠেছিল। নৌকা কিন্তু ডুবেনি, পার হয়ে গিয়েছিল। আজকে যারা বলে নৌকা হাতি উঠিয়ে ডুবিয়ে দিবে, কোনদিনও সম্ভব না। কারন এই নৌকা নূহ আঃ এর নৌকা। আপনাদের কাছে দাবি এই নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *