Home » প্রথম পাতা » গভীর রাতে বোট ক্লাবে কী করেছিলেন পরীমণি?

দলের চেয়ে ভাই লীগের কদর!

১০ জুন, ২০২১ | ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 60 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে নারায়ণগঞ্জের ভূমিকা থাকলেও সেই নারায়ণগঞ্জেই আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক অবস্থা দূর্বল হয়ে পড়ছে। শীর্ষ নেতারা কয়েকটি বলয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। বিভক্তির কারণে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে নতুন কর্মী সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে নেতৃত্বে যারা রয়েছেন তারা দলের পরিবর্ততে ‘ভাইলীগ’ রাজনীতির চর্চা করছেন। এতে করে নেতাদের নিজ নিজ বলয় শক্তিশালী হলেও দল কোন সুফল পাচ্ছে। অনেক নেতা আবার নিজ নিজ প্রয়োজনে কর্মীদের ব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। অথচ দলীয় কোন কর্মসূচী পালনে কর্মীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায় না। অথচ টানা তৃতীয় বার আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসায় শীর্ষ অনেক নেতার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটলেও কর্মীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন আসনি। সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জ রাজধানী ঢাকার পাশ্ববর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা নারায়ণগঞ্জ। বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ বাসীর অবদান রয়েছে। আওয়ামীলীগের জন্মও নারায়ণগঞ্জে। এক সময় গোটা নারায়ণগঞ্জ শাসন করত ওসমান পরিবার। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগে ওসমান পরিবারে সদস্যদের অগাধ প্রভাব রয়েছে। বর্তমান সংসদে ওসমান পরিবারের ২ জন সংসদ সদস্য রয়েছে। শামীম ওসমান জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রণ করত। জেলার শীর্ষ নেতারা বেশির ভাগ শামীম বলয়ে থাকত। এখন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতির পট পরিবর্তন হয়েছে। তৈরী হয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা। বর্তমানে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগে ৩ টি পরিবারের প্রভাব রয়েছে। ওসমান পরিবার, চূনকা পরিবার এবং গাজী পরিবার। তবে গোলাম দস্তগীর গাজী শুধু মাত্র রূপগঞ্জের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত। তবে শহরে তার প্রভাব বাড়াতে বিভিন্ন নেতাদের তার বলয়ে যোগ দান করাচ্ছেন। তবে শহরে কোন প্রভাব বিস্তারের চেষ্ঠা না করে আড়াইহাজারের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু। অন্যদিকে, চুনকা পরিবারের সাথে গাজী পরিবারের মিল রয়েছে। আর চুনকা পরিবারের সাথে ওসমান পরিবারের নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এতে চুনকা পরিবার তথা মেয়র আইভীর বলয় অনেকটা শক্তিশালী হয়েছে। কেননা স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ বাসী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজী পরিবার থেকে নারায়ণগঞ্জের মন্ত্রী দিয়েছেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী হয়েছেন রূপগঞ্জ আসনের সদস্য সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শামীম ওসমানের বলয়ের পাশাপাশি গোলাম দস্তগীর গাজীর বলয়ের সাথে ভিরেছে। তবে শহরের রাজনীতিতে গাজীর তেমন প্রভাব নেই। তাই শহরে সাংসদ শামীম ওসমান ও মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর বলয় ছাড়াও শীর্ষ কয়েকজন নেতারা নিজ বলয়কে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। মূলত শামীম-আইভীর দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে তৃতীয় বলয়ের নেতারা নিজেদের শক্তিশালী করতে মাঠে নেমেছে। তবে প্রতিটি বলয়ের নেতারাই দলের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে কর্মীদের ব্যবহার করছেন। দলীয় শিক্ষা না দিয়ে কর্মীদের ভাইনীতির শিক্ষা দিচ্ছেন। তাই দলের চেয়ে ভাইদের কদর বেড়েছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *