Home » শেষের পাতা » হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সড়ক-মহাসড়কে চলছে চাঁদাবাজী

দায়িত্ব অবহেলায় সরকারি টেলিফোনের কদর কমেছে

২৬ নভেম্বর, ২০২০ | ৫:৪৯ অপরাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 270324 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
বন্দরে দায়িত্ব অবহেলার কারনে সরকারি টেলিফোনের কদর কমে গেছে। এক সময়ে বন্দর উপজেলায় ব্যপক চাহিদা ছিল টেলিফোনের, বর্তমানে সরকারি টেলিফোনের কোন চাহিদা নেই। নানা সমস্যায় জর্জরিত টেলিফোন সংযোগগুলো। উপজেলার গুরুত্বপুর্ণ সরকারি অফিস, ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর ধরে টেলিফোনের সংযোগে রয়েছে নানা জটিলতা। টেলিফোনের লাইন আছে কিন্তু সংযোগ নেই। অথচ প্রতিমাসেই তাদের টেলিফোন লাইন চার্জসহ বিল পরিশোধের জন্য গুনতে হয় শত শত টাকা। এ উপজেলার টিএন্ডটি অফিসে কর্তব্যরত কর্র্মকর্তা কর্মচারীরা চলে তাদের নিজস্ব গতিতে। টেলিফোনের সংযোগ থাকুক আর নাই থাকুক এ নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দর উপজেলা পরিষদসহ বন্দরের গুরুত্বপুর্ণ সরকারি অফিস গুলোতে টেলিফোনের লাইন আছে কিন্তু সেই টেলিফোন গুলোতে কোন প্রকার সংযোগ পাওয়া যায় না। দিন বদলের পালা নিয়ে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল নেটওর্য়াকের আওতায় আসলেও সরকার টিএন্ডটি ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য প্রতি বছরই এই খাতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ টিএন্ডটি বোর্ড ও টেলি যোগাযোগের আওতায় দায়িত্বে আছে শত শত কর্মকর্তা কর্মচারী। গতকাল বুধবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বন্দর উপজেলার টিএন্ডটি অফিসের বেহাল দশা। অফিসের প্রধান গেইট না খুলতে খুলতে লতা পাতায় জড়িয়ে গেছে এ ছাড়া গেইটে মরিচা ধরে ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পরেছে। আশপাশে নোংরা হয়ে রয়েছে এবং মাদক সেবনের আস্তানা হিসেবে গড়ে উঠেছে এ অফিস চত্বর। অফিসের সামনে অভিযোগ গ্রহনের জন্য নেই কোন বক্স। এ বিষয়ে বন্দর টেলিফোন অফিসের লাইনম্যন মো: নাছির উদ্দিন বলেন, বন্দরে প্রায় ৮শ’ লাইন চালু ছিল। কমতে কমতে এখন ৬০/৭০ টি লাইন রয়েছে। আমাদের অফিসে ৫ জন ষ্টাফ রয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই অফিসে আসে না আমাকে একাই সব দেখতে হয়। এ বিষয়ে বন্দর টেলিফোন অফিসের জুনিয়র সহকারী ম্যানেজার মো: হাবিবুর রহমান জানান, বিভিন্ন রাস্তা ড্রেনের কাজের সময় আমাদের কেবল কাটা পরেছে যার ফলে সংযোগ বিছিন্ন রয়েছে। আর অফিস ষ্টাফ অনুপস্থিত থাকার ব্যাপারটা আমি ব্যবস্থা নিবো। আমাদের প্রধান গেইট ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পরেছে এবং নিরাপত্তা প্রহরী ও গেটের জন্য আবেদন করেছি।

Comment Heare

১৬ responses to “দায়িত্ব অবহেলায় সরকারি টেলিফোনের কদর কমেছে”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *