Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

দুর্দিনের বন্ধুকে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত

০১ জানুয়ারি, ২০২২ | ৯:২২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 140 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে সাড়া দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। করোনা ভাইরাসের কারণে নারায়ণগঞ্জসহ সাড়া দেশ ছিল স্তব্ধ। লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছিল শহরের হাজার হাজার মানুষ। খাদ্য সংকটে পড়েছিল নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ। সেই দূর্দিনে গৃহবন্দি ছিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অনেক কাউন্সিলর। আবার কোন কোন কাউন্সিলর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাই যারা করোনা পরিস্থিতিতে গৃহবন্দি ছিলেন ভোটের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। এছাড়াও যারা নানা রকম বিতর্কিত কর্মকা-ের সাথে জড়িত তাদেরও ভোট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। জানাগেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিতর্কিত প্রার্থীতে সয়লাব হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ধর্ষণ থেকে শুরু করে মাদক, চাঁদাবাজি মামলার আসামীরাও কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। এ নিয়ে সিটির সর্বত্রই নানা আলোচনা, সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই আলোচনার উত্তাপ এখন বিভিন্ন পাড়া, মহল্লা থেকে শুরু করে চায়ের দোকানগুলোতেও। বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিতর্কিতরা প্রার্থী হওয়াতে সচেতন সমাজও কিছুটা হতাশ। তবে করোনা পরিস্থিতিতে যারা নিশ্চিত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার সাধারণ ভোটারা। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে যারা আমাদের পাশে ছিলেন ও ক্লিন ইমেজধারী ব্যক্তিকে আমরা ভোট দিবো। গতবার নির্বাচিত করেছিলাম তাদের অনেকেই করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের খবর নেয়া তো দূরের কথা নিজেরাই গৃহবন্দি ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ এসেছে। এছাড়াও যারা বিতর্কিত কর্মকা-ে জড়িত রয়েছেন তাদেরও ভোট দেয়া হবে না। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রচার প্রচারণা ব্যস্ত রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় প্রার্থীরা শো-ডাউনও করেছেন। বর্তমানে  নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছেন এদের মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডেই বিতর্কিত ব্যক্তিরা রয়েছেন। অর্থাৎ পরিচ্ছন্ন প্রার্থীর তুলনায় বিতর্কিতদেরই আধিক্য। সূত্র বলছে, করোনা পরিস্থিতিতে না খেয়ে দিন কাটিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা আর গৃহবন্দি ছিলেন জনপ্রতিনিধি-এমন দৃশ্য অহরহ দেখা গিয়েছিল। ভোটারদের খোঁজ না নিয়ে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন অনেক জনপ্রতিনিধি। এমনকি সরকারি সহায়তাও যথাযথ ভাবে বন্টন না করার অভিভোগ ছিল একাধিক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তাউ করোনা পরিস্থিতি নীরব থাকার প্রভাব পড়বে এবারের নাসিক নির্বাচনে। যদিও বর্তমান সকল কাউন্সিলরই প্রচারণা কালে দাবী করছেন, করোনা পরিস্থিতিতে সরব ছিলেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *