Home » প্রথম পাতা » সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম

না’গঞ্জে অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবীতে সমাবেশ

১৩ নভেম্বর, ২০২১ | ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 42 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসের ভাড়া বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় গণসংহতি আন্দোলন এ সমাবেশ করে। গণসংহতি আন্দোলনের নাঃগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে এবং জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক শুভ দেবের সঞ্চালনায় সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলার নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস, ন্যাপ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এড. আওলাদ হোসেন, শ্রতি সাংস্কৃতিক একাডেমীর সংগঠক কাজল কানন, প্রতিবেশ আন্দোলন নাঃগঞ্জ জেলার সংগঠক এড. দ্বিপু সাহা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সভাপতি ইলিয়াস জামান, এই বাংলা নাট্য দলের সংগঠক দিদার হোসেন সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।  তরিকুল সুজন তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অন্যায্যভাবে যাত্রীদের ওপর ৪৫ টাকা বাসের ভাড়া চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে এই বাসের ভাড়া বৃদ্ধি জনগণের জন্য ‘মরার উপর খারার ঘা’! বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম অনেকদিন ধরেই কমতির দিকে, তখন এদেশে ডিজেল-কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির কোন কারণ আমরা খুঁজে পাইনা। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির পর পরিবহন মালিকরা যখন ধর্মঘট ডাকলেন, তখনি আমরা বলেছি এই ধর্মঘট কোনভাবেই ডিজেলের দাম কমানোর জন্য নয়। বরং বাসের ভাড়া কিভাবে বাড়ানো যায়, তারই ফন্দিফিকির পরিবহন মালিকেরা করছেন। কারণ পূর্বে যতোবার সরকার অযৌক্তিকভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে, ততোবার একইরকম ঘটনা ঘটেছে। দাম বৃদ্ধিকে সরকার এবং পরিবহন মালিকেরা সুযোগে পরিণত করেছে। যার বলি হতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। তাই পরিবহনের এই বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাখ্যান করা এখন সময়ের দাবি। অঞ্জন দাস বলেন, জনগণের মতামত ছাড়া সরকার কিংবা পরিবহন মালিকেরা কোনভাবেই দাম বাড়াতে পারে না। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির আগে গণশুনানীর আয়োজন করতে হয়। সবকিছুরই একটা সিস্টেম আছে। রাতের আধারে ভোট ডাকাতির সরকার কোন ধরনের গণশুনানীর আয়োজন না করে রাতের আধারেই জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে দিলো। এই ভোটারবিহীন সরকার আজ কোনকিছুরই তোয়াক্কা করছে না। কারণ জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তারা ক্ষমতায় আসেননি। তাই জনগণের মতের কোন প্রয়োজন তাদের নেই। পুরো একটা অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে সবকিছু চলছে। দাম বেড়েছে ডিজেলের অথচ ভাড়া বেড়েছে সকল পরিবহনের। কোনটা ডিজেল চালিত আর কোনটা গ্যাস চালিত পরিবহন জনগণের পক্ষ থেকে তা বোঝারও কোন উপায় নেই। এর ওপর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ দূরুত্ব নিয়েও এক ধুম্রজাল তৈরি করা হয়েছে। যেখানে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার হবার পর দূরুত্ব আরও ১.৫ কি.মি. কমে যায়, সেখানে বি আরটিএ এবং বাস মালিকরা দূরুত্ব ১৯.৫ কিলোমিটার দেখিয়ে জনগণের পকেট কাঁটছে। ব্রিজের টোল খরচও বাড়ানোর মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। পরিবহন মালিকদের হাতের এই জিম্মি অবস্থা থেকে নারায়ণগঞ্জবাসী পরিত্রান চায়। যথাযথ দূরুত্ব নিরূপণ করে ন্যায্য ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানায় গণসংহতি আন্দোলন।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *