Home » শেষের পাতা » হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সড়ক-মহাসড়কে চলছে চাঁদাবাজী

না’গঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের নৈরাজ্য

১১ আগস্ট, ২০২২ | ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 41 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে টিআই আঃ করিম লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করার মিশনে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন কোন সেক্টর নেই যে, তার নৈরাজ্য চলছে না। বাস মালিক সমিতি অফিসে মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি করছে। পাশাপাশি পঞ্চবট্টি ট্রাক টার্মিনাল, বাস ষ্ট্যান্ডে তার নির্দেশে প্রতিদিন চাঁদাবাজি চলছে। সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি থামছে না, সর্বত্র নৈরাজ্য। তার ভয়ে আশেপাশে দোকানদাররা থাকে সর্বদা শংকিত। ফল বিক্রেতাদের সাথে করে সন্ত্রাসী আচরণ। লোহার রড ধারালো করে রেখেছে কমিউনিটি পুলিশ নামধারী কিছু বিএনপি’র সন্ত্রাসী। যাহারা নিরীহ রিক্সা চালক ও অটো বা ইজি বাইক চালকদের চাকা ফুটো করে টি.আই আঃ করিম এর নির্দেশে। লেগুনা, মৌমিতা সহ বিভিন্ন বাস, ট্যাক্সি আটকিয়ে রিকোজিশনের নামে মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে। রিক্সা, অটো, ইজি বাইক এর চাকা রাস্তায় ফেলে রেখে যানজটের সৃষ্টি করে। সকল অটো বা ব্যাটারী চালিত ইজি বাইকের চাকা আমদানী করতে হয় ভারত থেকে। প্রতিটি চাকার দাম প্রায় তিন হাজার টাকা। নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া এলাকায় প্রায় প্রতিদিন শতাধিক গাড়ীর চাকা লিক করা হয়। ঐ সকল সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এতে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ সকল চাকা ভারত থেকে আমদানী করতে হয় কোটি টাকায়। বাংলাদেশের অর্থ চলে যায় ভারত সরকারের কাছে। এখন প্রশ্ন চাকরী করে বাংলাদেশ সরকারের, আর চাকা ফুটো ও ক্ষতি করে টাকা চলে যায় ভারত সরকারের হাতে। এটা কোন দেশের পুলিশ? জনগণ জানতে চায়। এ ধরনের দেশদ্রোহী পুলিশের কারনে আজ দেশের বারটা বেজেছে। বিভিন্ন গার্মেন্টস এর নীট গার্মেন্টস এর গাড়ী থামিয়ে হয়রানী করে থাকে। অতঃপর মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকার চুক্তিতে এ সকল গাড়ীর রফাদফা হয়ে থাকে। তা নাহলে দিয়ে দেওয়া হয় মামলা। এজন্য বিভিন্ন ধরনের হয়রানীর শিকার হতে হয়। আমাদের সমাজ যে কারনে কুলোসিত হয় সেসকল অপকর্ম থেকে বেড়িয়ে এসে বেকার শিক্ষিত যুবকরা চাকুরীর জন্য বেকার হয়ে দাড়ে দাড়ে ঘুরে বেরায়। কেউ কখনো সাহায্য করে না। তখন কেউ চালায় রিক্সা, অটো, ইজি বাইক। তেল বিহীন পরিবেশ বান্ধব এ সকল বাহন দিয়ে দিনমজুরী করে জীবিকা নির্বাহ করে স্ত্রী-সন্তান দিয়ে শহরে ভাড়া থেকে দিনযাপন করে থাকে। সাধারণ মানুষ শুধু রিক্সা বহন করে ১ কি.মি যেতে ৫০ টাকা ভাড়া দিতে হয়, সেখানে অটো দিয়ে মাত্র ১০ টাকায় যাওয়া যায়। এতে অর্থের সাশ্রয় হয়। চীন থেকে এসকল অটো বা ইজি বাইক কি সরকারের অনুমতি ছাড়া দেশে এসেছে নাকি কোন প্রতিষ্ঠান সরকারি টেক্স দিয়ে এনেছে? অবশ্যই সরকারকে কর দিয়ে এনেছে। রেকার বিলের নামে ১হাজার ৫শ’ টাকা হতে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। অথচ রেকার বিলের মানে কি? যে গাড়ীর পিছনে যানজন সৃষ্টি করে রেকার গাড়ী চেন কপ্পা দিয়ে সড়িয়ে আনা হয়। তাকেই রেকার বিল বলা হয়। অথচ গরীবদের রিক্সা, অটো, ইজি বাইক প্রায় দুইশত গাড়ী আটকিয়ে উক্ত টাকা আদায় করা হয়। যাহা মাসে প্রায় কোটি টাকার উপরে। এ সকল টাকার প্রায় নব্বই লক্ষ টাকা টিআই আঃ করিম এর পকেটে চলে যায়। নিরীহ অটো চালকদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে যায়। প্রতিদিন চাষাড়া ডাক-বাংলার পূর্ব পাশে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত এই দৃশ্য দেখা যায়।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *