Home » প্রথম পাতা » ফতুল্লার কাশিপুরে মোস্তফার অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

না’গঞ্জে বিরোধের কবলে রাজনীতি

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 72 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জে রাজনীতিতে এবার দলীয় বিরোধ চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। যুগের পর যুগ ধরে চলা আওয়ামীলীগের বিরোধ এখন নেতাকর্মীদের মধ্যে সহশীল হয়ে গেছে কিন্তু বিএনপিতে বিরোধ থাকলেও এতটা প্রকাশ্যে ছিল না। এবার মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষণার পর দলীয় বিরোধ দিন দিন চাঙ্গা হয়ে উঠছে। আওয়ামীলীগে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর বিরোধ সারা দেশের মানুষ জানে। কিন্তু বিএনপির বিরোধ যেভাবে প্রকাশ্যে রূপ নিতে শুরু করেছে তাতে আগামী দিনে তা সংঘাতে রূপ নিতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন তৃনমূল নেতাকর্মীরা। অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে আহবায়ক ও অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সদস্য সচিব করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির, আব্দুস সবুর খান সেন্টু, হাজী নুর উদ্দিন আহমেদ, আতাউর রহমান মুকুল, মনির হোসেন খান, আনোয়ার হোসেন অনু, শাহ ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, এমএইচ মামুন ও আবুল কাউসার আশা। পদে সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক আহম্মদ, হাজী ফারুক হোসেন, আওলাদ হোসেন, শওকত হোসেন সকু, হাসান আহম্মদ, মাহাবুব উল্লাহ তপন, মাসুদ রানা, ডা. মজিবর রহমান, মাকিদ মোস্তাকিন সিপলু, রাশিদা জামাল, অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান, হান্নান সরকার, অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন, হাবিবুর রহমান দুলাল, হাবিবুর রহমান মিঠু, মনোয়ার হোসেন শোখন, মো. বরকত উল্লাহ, মো. আলমগীর হোসেন, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মোল্লা, শহিদুল ইসলাম রিপন, আমিনুর ইসলাম মিঠু, ফারুক আহম্মদ রিপন, মাহমুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শিপলু, শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, মো. ফারুক হোসেন, কামরুল হাসান সাউদ চুন্নু, হুমায়ুন কবির, শাহিন আহম্মদ। কমিটি ঘোষনার পরই নাসিক ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কাউছার আশা পদত্যাগ করে। এরপর দিন আতাউর রহমান মুকুল ও হাবিবুর রহমান মিঠ পদত্যাগ করেন। সদস্য সচিব টিপুর সাথে এড. আনোয়ারের মধ্যে মল্ল্যযুদ্ধ হয়। একটুর জন্য সংঘাতে রূপ নেয়নি। সকলের অভিযোগ এই দুর্বল কমিটি নিয়ে আগামী দিনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করা সম্ভব নয়। তাই তারা নতুন বলয় সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা এড. আবুল কালামের নেতৃত্বে নতুন কমিটি কেন্দ্রে জমা দিবেন বলে জানা গেছে। যাদের নিয়ে নতুন কমিটি করবেন তারা রাজপথের লড়াকু সৈনিক বলে তাদের দাবি। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলায় আওয়ামীলীগের রাজনৈতিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাংগঠনিক এবং কর্মীবান্ধব নেতা ও দক্ষ রাজনৈতিক হিসেবে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমান এমনই একজন নেতা যিনি রাস্তা দিয়ে হেটে গেলেও তার পিছনে শত শত হাজার হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নেন। তিনি কোনো ঘরোয়া সভা ডাকলে সেই সভায় নেতাকর্মীদের সমাগমে জনসভায় পরিণত হয়ে যায়।অনেকেই বলেন শামীম ওসমান রাজপথে নামলেই লাখো জনতা মাঠে নামেন। কেউ কেউ মনে করেন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মধ্যে যেসব রাজনৈতিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন তাদের মধ্যে একমাত্র সবচেয়ে বেশি দক্ষ সাংগঠনিক নেতা হিসেবে মনে করা হয়। তবে শামীম ওসমান বিরোধীরাও রাজপথে চাঙ্গা না থকলেও রাজনীতিতে পটু। বছরের পর বছর জুড়ে উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরুর মধ্যে বিরোধ লেগেই থাকে। তাদের মধ্যে যেন ঐক্য হওয়ার পথই নেই। তাদের মধ্যে ঐক্য করার জন্য বারবার চেষ্টা করেও শীর্ষ নেতারা এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রীও ব্যর্থ হন। তবে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি যেন বিরোধের রাজনীতিতে পরিনত হয়েছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *