Home » শেষের পাতা » স্কুল ছাত্র ধ্রুব হত্যায় খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

না’গঞ্জে হচ্ছে শেখ রেহানা মেডিকেল কলেজ

০১ ডিসেম্বর, ২০২১ | ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 91 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ৫০০ শয্যা করে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপান্তিত করতে করা হবে। একই সাথে সেই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাম হবে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ রেহানা’র নামে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও’ আরিফা জহুরা বিদায় ও নবগত ইউএনও’র বরণ সংর্বধনা অনুষ্ঠানে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় এ তথ্য দেন ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। শামীম ওসমান বলেন, বছর দুই এক আগে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে একান্ত কথা বলেছিলাম। উনি বলেছেন, ‘তুমি কি চাও। অনেক রাজনীতিবিদ, অনেক কিছুই চায়’। আমি বলেছিলাম, ‘আমি কিছু চাই না। আমি জনগণের জন্য ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড চাই, বঙ্গবন্ধুর নামে নারায়ণগঞ্জে ইউনিভার্সিটি চাই, পঞ্চবটির ফ্লাইওভার চাই, ডিএনডি প্রকল্প চাই, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জন পুরাতন সড়কের উন্নয়ন চাই, মেডিকেল কলেজ-ইউনিভার্সিটি চাই’। আলহামদুলিল্লাহ, আমার সব প্রকল্পের কাজই চলছে। শুধু একটি বাকি ছিল, সেটি হলো মেডিকেল কলেজ। শামীম ওসমান আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নামে কিছু হলে অনুমতি নিতে হয়। শেখ রেহানা অনুমতি দেয় না বলে সারা বাংলাদেশের কোথাও কিছু করা হয়নি। উনি হিমালয় পবর্তের মতোই শোক ও কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে বসে আছেন। কোন কিছু করার অনুমতি দেন না। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘তুমি শেখ রেহেনার থেকে অনুমতি নিতে পাড়লে আমি করে দিবো’। কিছুক্ষণ পূর্বে একটি মেসেজ আসছে, আলহামদুল্লিহা সেটিও হয়ে গেছে। খানপুরের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ৫০০ শয্যা করে পুর্নাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপান্তিত করা হবে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাম হবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ রেহানার নামেই। শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ প্রসঙ্গে আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জের কিছু দৃশ্য আমি দেখেছি, অনেকের বাবার লাশ ঘরে পড়ে ছিল, ছেলে ধরে নাই। গিটারিস্ট একটা ছেলে সারারাত মরে বাহিরে পড়ে ছিল, কেউ লাশটি উঠিয়ে নেয় নাই। গলাচিপায় লাশ হয়ে পড়ে আছে স্বামীর, স্ত্রী বলছে- ভাই লাশটা নিয়ে যান, নিয়ে যান। সাথে তোশকটাও নিয়ে যান। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। অনুষ্ঠানে  আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাত ফেরদৌস, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির, কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজর আলী প্রমুখ।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *