Home » প্রথম পাতা » না’গঞ্জে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু

না’গঞ্জ বিএনপির তৃনমূল কমিটি পৌছেছে তারেক জিয়ার হাতে

০২ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 84 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নানা রকমের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অধীনে থাকা বিভিন্ন থানা উপজেলা পৌরসভা কমিটির ঘোষণা আসছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো নতুন কমিটির ঘোষণা আসবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। সে লক্ষ্যে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়কদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার বিকেলে ঢাকায় অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারে চেম্বারে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়কদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সকল আহবায়ক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সে সভায় জেলা বিএনপির অধীনে থাকা বিভিন্ন থানা উপজেলা পৌরসভা কমিটি অনেকটাই চূড়ান্ত করা হয়। সেই সাথে আরও কিছু বিচার বিশ্লেষণ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে জমা দেয়া হবে। এরপর সেখান থেকে কমিটির অনুমোদন দেয়া হবে। অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানিয়েছেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়কদের নিয়ে সভা হয়েছে। তাদের সকলের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি আংশিক চূড়ান্ত করে আগামী সপ্তাহের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেয়া হবে। সেখান থেকে আগামী কিছু দিনের মধ্যেই নতুন কমিটির ঘোষণা আসতে পারে। দলীয় সূত্র বলছে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর এতে আহবায়ককরা হয় অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে এবং সদস্য সচিব করা হয় অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে। আর এই কমিটি ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে চলে নানা হিসেব নিকেষ। সকল হিসেব নিকেষ মিলিয়ে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের উপরই জেলা বিএনপির দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়। তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ষোষণার তিন মাসের মধ্যে তাদের অধীনে থাকা বিভিন্ন থানা পৌরসভা কমিটি গঠনের নির্দেশনা থাকলেও এখন পর্যন্ত কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। করোনা সংক্রমণ ও দফায় দফায় লকডাউনের কারণে তাদের কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বার বার থেমে যায়। তবে এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন প্রক্রিয়াও সরব হয়। কিন্তু নানা জটিলতায় কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বার বার থেমে যাচ্ছিল। ঘোষণা হতে যাওয়া কমিটির মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হাই রাজ এবং সদস্য সচিব হিসেকে শাহ আলম হীরার নাম প্রস্তাব করেছেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। আর এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তুমুল সমালোচনা। শাহ আলম হীরা নিজে একজন আওয়ামী লীগ কর্মী। তিনি শামীম ওসমান সমর্থক গোষ্ঠীর একজন কর্মী হিসেবে সিরাজ ম-লের সঙ্গে কাজ করে থাকেন। এছাড়া তার মা রাশেদা বেগম সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। ভাই বরকত আলী বাপ্প জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তার আরেক ভাই খোরশেদ আলম মনা শ্রমিক লীগ ও আন্ত:জেলা ট্রাক চালক সাইলো শাখার যুগ্ম সম্পাদক। এছাড়াও শাহ আলম হীরার স্ত্রীর বড় ভাই সালাম মাহমুদ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই দায়িত্ব পালন করছেন। তৃণমূল বলছে, বিগত দিনে একটি মামলা, জেলও খাটেনি হীরা। এমনকী কোনো রকম কর্মসূচি পালন করতেও তাকে দেখা যায়নি। বরং দলটির নেতাকর্মীরা যখন মামলা খেয়ে ফেরারি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তখন শাহ আলম হীরা আওয়ামী লীগের হয়ে বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য করে এবং গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যা পুরো সিদ্ধিরগঞ্জে ওপেন সিক্রেট। ফলে জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের এক অংশ চাচ্ছেন হীরাকে পদায়ন করতে আরেক পক্ষ চাচ্ছেন হীরাকে পদের বাইরে রাখতে। যা নিয়ে নেতাদের মধ্যে চলছে মর্যাদার লড়াই। এদিকে রূপগঞ্জ থানা বিএনপিতে আহবায়ক পদে অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ূনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। এনিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে তেমন কোন মতপার্থক্য না থাকলেও সদস্য সচিব পদ নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। এখানে বিতর্কিত নেতা এস এম সায়েম যিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তাকেও সদস্য সচিব করার চেষ্টা চলছে। সায়েম নিজেই জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন করতে পারেনি। উপরন্তু সোনারগাঁও সহ বিভিন্ন কমিটি দেওয়ার জন্য মোটা অংকের লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক থাকা সময়েও রয়েছে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। কিন্তু তার পরেও মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে সার্চ কমিটির প্রধান আবদুল হাই রাজু সহ অন্যরা মিলে সায়েমের নাম প্রস্তাব করেন। ইতোমধ্যে রূপগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব হিসেবে থানা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য বাছিরউদ্দিন বাচ্চুকে পদায়িত করার জন্য জেলার আহবায়কের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এতে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, ভুলতার সভাপতি আব্বাস উদ্দিন ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক রমিজউদ্দিন, গোলাকান্দাইলের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, দাউদপুরের সভাপতি হুমায়ূন কবির ভূইয়া, মুড়াপাড়ার সেক্রেটারী শহীদুল্লাহ ভূইয়া, চনপাড়ার সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাছিরউদ্দিন বাচ্চু ও সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান বাদল সাক্ষর করেছেন। তাছাড়া সার্চ কমিটি সায়েমের নাম বাদ দিলেও অনেকটা অগঠনতান্ত্রিকভাবেই সায়েমের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে তারাবতে আহবায়ক হিসেবে নাসিরউদ্দিনের নাম প্রস্তাব নিয়ে দেখা দিয়েছে তুলকালাম। কারণ নাসিরের সঙ্গে সরাসরি ক্ষমতাসীনদের আঁতাতের অভিযোগ উঠেছে। সবশেষ তিনি আলোচনায় এসেছেন রূপগঞ্জে একটি মারামারির ঘটনায়। নিজ দলের লোকজনদের হাতেই তিনি পিটুনীর শিকার হয়েছেন। জানা গেছে, গত ১৬ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হয় তারাবো পৌরসভার নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমানের হাবিবের মনোনায়ন মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তবে এই বাতিলের পিছনে নাসির উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান হাবিবের নাটক হিসেবে উল্লেখ করেন তারাবো পৌরসভাবাসী। তারা দুইজন ইচ্ছা করেই সমঝোতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হাসিনা গাজীকে সুযোগ করে দিয়েছেন বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলাপ আলোচনা সরগরম রয়েছে। মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাচাই শেষে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুবর রহমান হাবিবের প্রস্তাবকারী একই ব্যক্তি হওয়ায় তাদের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। কিন্তু বাতিল হওয়া এই দুইজনের মনোনয়নের প্রস্তাবকারী একই ব্যক্তি হওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাসিরউদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুবর রহমান হাবিব ইচ্ছা করেই একই ব্যক্তিকে দুইজনের প্রস্তাবকারী রেখেছেন। সাধারণত প্রস্তাবকারীর নাম গোপন থাকে। কিন্তু নাসির উদ্দিনের প্রস্তাবকারী ব্যক্তির নাম প্রকাশ হলো কিভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। এছাড়াও নাসির উদ্দিন তার ঘনিষ্ট কাউকে প্রস্তাবকারী বানাতে পারতেন। কিন্তু হাবিবুর রহমানের হাবিবের প্রস্তাবকারী ব্যক্তিকে কেন নাসিরের প্রস্তাবকারী বানাতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সকলেরই জানা, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব নিজেই আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হাসিনা গাজীর মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। সেই সাথে তিনি তারাবো ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি পদে দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাকে প্রায় সবসময় রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর সাথে দেখা যায়। পাশাপাশি হাসিনা গাজীর মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার দিনেও উপস্থিত ছিলেন হাবিব। আর সেই হাবিবুর রহমান হাবিবের প্রস্তাবকারী ব্যক্তিকেই বিএনপির প্রার্থী নাসির উদ্দিনের পক্ষে প্রস্তাবকারী করা হয়েছে। সেই সাথে ওইদিন নাসির উদ্দিন নমিনেশনও আনতে যায় নাই। আর এসকল বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন নাসির উদ্দিন ইচ্ছা করেই আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হাসিনা গাজীকে সুযোগ করে দিয়েছেন। আর এই সুযোগ করে দিতে গিয়ে নাসির আর হাবিবুর রহমান হাবিব মনোনয়নপত্র নিয়ে নাটক সাজিয়েছেন। বিএনপির একাধিক নেতা জানান, রূপগঞ্জের কমিটি গঠন নিয়ে সেখানে কেন্দ্রীয় সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু থাকলেও তার সঙ্গে কোন ধরনের আলোচনা হয়নি। তাছাড়া রূপগঞ্জ থানার বিভিন্ন কমিটি গঠনের জন্য যেসব নেতাদের নাম উঠে এসেছে তাদের আলোচনায় আসেনি। অন্যদিকে সোনারগাঁ বিএনপির কমিটি নিয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সাথে সাবেক সহ সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সাথে চলছে লড়াই। সোনারগাঁ বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মোশারফ হোসেন। কিন্তু তাকে চাচ্ছেন না আজহারুল ইসলাম মান্নান। বিপরীতে মোশারফ হোসেন উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বে আসতে ইতিমধ্যে মামুন মাহামুদকে ম্যানেজ করে নিয়েছেন বলেও গোমর ফাঁস হয়ে গেছে। এসব কারণে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন- যারা প্রকাশ্যে আওয়ামীলীগ নেতাদের পক্ষে কাজ করেছেন তারাই এখন মামুন মাহমুদের সুদৃষ্টিতে। নিয়মিত এখন মোশারফ হোসেনকে মামুন মাহামুদের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এ মোশারফ হোসেন হচ্ছেন সোনারগাঁ পৌরসভা বিএনপি নেতা যিনি গতবারের আগেরবার পৌরসভা বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন। সে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদের মাধ্যমে তিনি পেয়ে যান জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পদবি। সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মূলত হলেন মোশারফের ঘনিষ্ঠ। সে কারণেই ২০১৫ সালে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নানকে বাদ দিয়ে তিনি কালামের পক্ষে মাঠে নামেন। ২০১৯ সালেও তিনি কাজ করেন কালামের পক্ষে। ওই সময়ে তিনি পৌর জাপার সভাপতি এম এ জামানকে সঙ্গে নিয়ে সরকার দলের প্রার্থীর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছিলেন। তাছাড়া তাঁর পরিবারের লোকজনও হলেন আওয়ামী লীগ ঘেঁষা। অন্যদিকে সদর উপজেলার ফতুল্লা বিএনপিতে আহবায়ক হিসেবে আসার চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস। কিন্তিু তাকে কেউ মেনে নিতে চাইনি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে সরকার দলীয় সাংসদ ও নেতাকর্মীদের সাথে আঁতাতের অভিযোগ। তার সামনে দলীয় প্রতিষ্ঠাতা গালি দিলেও সে গালি নিরবে হজম করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আর তাই তাকে বাদ দিয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির আহবায়ক করা হচ্ছে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ হাসান রোজেলকে। তবে সদস্য সচিব নিয়ে রয়ে যাচ্ছে জটিলতা। একটি পক্ষ চাচ্ছে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম পান্নাকে। আবার অন্য একটি পক্ষ যাচ্ছে রিয়াদ চৌধুরীকে।  আর এ নিয়ে শুরু হয় নানা রফাদফা।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *