আজ: শনিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২রা সফর, ১৪৪২ হিজরি | রাত ৮:৫৬

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

না’গঞ্জ বিএনপির শীর্ষনেতারা বানবাসী মানুষের পাশে নেই!

ডান্ডিবার্তা | ১০ আগস্ট, ২০২০ | ১১:১৭

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের কারনে সৃষ্ট বিশেষ পরিস্থিতিতে দলের মধ্যম সারির নেতাদের উদ্যোগে অব্যাহতভাবে ত্রাণ তৎপরতা ও সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হলেও নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শীর্ষনেতারা নেতারা অনেকটাই আড়ালে রয়েছেন।এবং নতুন করে বুড়িগঙা নদীর পানি বৃদ্ধিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তিনটি ইউনিয়ণের হাজার হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পরেছে, শুধু তাই না শীতলক্ষ্যার পানি বিপদ সিমার উপরে থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জের বেশ কিছু এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বন্ধি হয়ে বন্যার সৃষ্ট বিশেষ পরিস্থিতিতে বিএনপির কোন শীর্ষনেতাদের এখনো দেখা মিলেনি। করোনা শুরুতে নিজ নিজ এলাকায় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখন আর তাদের দেখা মিলেনা। দলের শীর্ষনেতাদের এই নীরবতাকে ‘অপব্যাখ্যাজনিত নীরবতা’ হিসেবে দেখছেন দলের অন্যান্য নেতা। গত এক মাসের বিএনপির রাজনৈতিক তৎপরতা পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দলের মধ্যম সারির নেতাকর্মীরা অসহায়, হতদরীদ্রদের র্দূদিনে থাকলেও দলের শীর্ষনেতাদের পাওয়া যায়নি। দলের এক নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছা শর্তে বলেন, মহামারি করোনায় মানুষ হিমসিম খেয়ে গেছে তারমধ্যে আবার এখন নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় পানিবন্ধি হয়ে পরেছে সাধারণ যারা দিন আনে দিন খায় তাদের কি অবস্থা হতে পারে একবার ভাবুন তো? নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরে হাতে গনা কয়েকজন নেতা ছাড়া সাধারণ মানুষের পাশে কে ছিলো? অনেক নেতারা লাইভে এসে তারা কে কে কার পাশে দারালো কি করছে তাদের গুনগান বলে সময় পার করে দেয়। শীর্ষনেতারা পদ-পদবীর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে, কিন্তু দলের সাধারণ নেতারা কি পায়? আপনি একটু লক্ষ্য করুণ বিএনপির কোন নেতারা সাধারণ মানুষের পাশে দারাচ্ছে তারা অনেকেই বিভিন্ন অর্থনীতিক ভাবে দুর্বল, তারপরও তারা সাহস করে সাধারন মানুষের ভালবাসার টানে নিজেদের শেষ টুকু দিচ্ছে। অথচ নারায়ণগঞ্জের শীর্ষনেতারা ঘড়ে বসে থাকে করোনার বয়ে। তারা কিন্তু বিএনপির ক্ষমতার সময় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, তাদের এখন দেখা মিলেনা।নেতা হতে হলে সাধারণ মানুষের সেবা করতে হয়। আমরা দলের সাধারণ মানুষ হয়ে যুদি অল্প সংখ্যাক মানুষের পাশে দারাতে পাড়ি, তাহলে তারা কেন পারবেন না। তারা কি শুধু মিটিং মিছিল হলে কর্মীদের খোজ নিবে? আর নির্বাচন আসলে সাধারণ মানুষের কাছে যাবে? আমরা সারাক্ষণ সাধারন মানুষের পাশে থাকি আমরা শুনি কে কি কার বিরুদ্ধে বলে। তাইতো বাধ্য হয়ে আমাদের আসতে হয়। আমরা নিজেরাই চলতে পাড়ি না। বর্তমানে মহামারি করোনা ও নতুন করে এই বন্যার সময় অসহায় ও সাধারণ মানুষদের পাশে থাকাটা নেতাদের দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *