Home » শেষের পাতা » অধিগ্রহণ হচ্ছে নদীর জমি

না’গঞ্জ বিএনপি বিরোধে জব্ধ

০৫ অক্টোবর, ২০২২ | ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 162 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট কমিটি বির্তকে সদ্য ঘোষিত মহানগর বিএনপি বেকায়দায় পড়েছে। যে কোন সময় এ নতুন কমিটি বিলুপ্ত হতে পারে। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা। ইতিমধ্যে তারেক রহমান কমিটি বির্তকের বিষয় অবগত হয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয় জেলা বিএনপির কমিটি নিয়েও রয়েছে চরম বিরোধ। যার কারণে দিন দিন বিএনপি পিছিয়ে পড়ছে। মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষণা হওয়ার পর থেকে শুরু হয়ে যায় পদত্যাগের হিড়িক। কমিটি ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যে ১৩জন পদত্যাগ করে কমিটি থেকে বেরিয়ে যান। আর দেখা যায় নতুন কমিটির নেতাদের চেয়ে পদত্যাগকারীদের পাল্লাভারী বেশী। তাদের সাথে অধিকাংশ নেতাকর্মী একমত পোষন করেছেন। পদত্যাগকারীরা পদত্যাগের কারণসহ পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় বিএনপিসহ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পাঠিয়েছেন। এদিকে পদত্যাগকারীসহ বিএনপির পদ বঞ্চিতরা একাট্টা হয়ে তাদের দল ইতিমধ্যে ভারি হয়ে গেছে। তারা যেকোন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সমস্যা হবে না। আর নতুন কমিটির নেতারা মাত্র একটি কর্মসূচি দিয়ে ফ্লপ হয়েছে। মহানগরের নেতা না পেয়ে জেলার নেতাকর্মীদের দিয়ে তারা কর্মসূচি পালন করেন। তাতে বুঝা যায় তারা অসহায় গয়ে পড়ছেন। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি থেকে পদত্যাগকারী নেতাদের ব্যাপারে আল্টিমেটামেই সীমাবদ্ধ থাকেন আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। পদত্যাগকারীদের ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি তারা। সেই সাথে সিদ্ধন্ত নেয়ার জন্য সাংগঠনিক কোনো প্রক্রিয়াও তাদের হাতে নেই। গত ১৩ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে আহবায়ক ও অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সদস্য সচিব করে মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। কমিটি ঘোষণার পরেই শুরু হয় বিদ্রোহ। ইতোমধ্যে কমিটির ১৫ জন সিনিয়র নেতা পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, কমিটিতে বাদ দেয়া হয়েছে রাজপথের নেতাদের ও বিএনপির প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের। পদত্যাগকারীরা হলেন- মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সর্বশেষ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, যুগ্ম আহবায়ক হাজী নুরুদ্দিন, আতাউর রহমান মুকুল, আবুল কাউসার আশা, সদস্য অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, শহিদুল ইসলাম রিপন, আমিনুল ইসলাম মিঠু, মনোয়ার হোসেন শোখন, ফারুক হোসেন, হাজী ফারুক হোসেন, হান্নান সরকার, আওলাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মোল্লা, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু। পদত্যাগকারী নেতারা বলেন, আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশের রাজনীতি করি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুন্যের অহংকার তারেক রহমানের ডাকে রাজপথে থেকে আমরা যে মামলা হামলার শিকার হয়েছি। বর্তমান যারা মহানগরের দায়িত্ব পেয়েছে তারা কেউই এতো মামলা খায়নি। আমাদের একজন কর্মী মামলা খেয়ে যেভাবে জেল জুলুমের শিকার হয়েছে, সেই পরিমানও তারা মামলার শিকার হয়নি। আজকে তারা বলে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির অবসান ঘটেছে। আরে ভাই এই পরিবারের হাত ধরেই নারায়ণগঞ্জে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনারা তাদেরকে মাইনাস করে রাতের আধারে কমিটি নিয়ে এসেছেন। আমাদের পদ পদবির দরকার নাই বিএনপির একজন কর্মী হয়ে আমরা রাজপথ কাপাবো। দেখি আপনারা দায়িত্বে থেকে কতটুকু রাজপথ কাপাতে পারেন। এছাড়াও জেলা বিএনপিতেও বিরোধের শেষ নেই। সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন ও মামুন মাহমুদের মধ্যে চলেছে দ্বন্দ্ব। সব মিলিয়ে বিএনপি এখন বিরোধের রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে। তবে বিএনপিকে শক্তভাবে দাঁড়কারাতে হলে নেতৃত্বে পরিবর্তন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বোদ্ধা মহল।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *