আজ: মঙ্গলবার | ২রা জুন, ২০২০ ইং | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১০ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | দুপুর ২:৩০

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

নারায়ণগঞ্জ কলেজে বসন্ত উৎসব ও পিঠা মেলায় সেলিম ওসমান শিক্ষার্থীদের প্রাণখুলে হাসতে দিতে হবে

ডান্ডিবার্তা | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ১১:১৭

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সদর-বন্দর আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, এখন থেকে বাংলার যত উৎসব আছে সবগুলি পালিত হবে। এই উৎসবগুলি ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষ থেকে আসতে হবে। আমরা এখন আনন্দ করার জন্য আসছি। শিক্ষকরা বকাবকি করবেন না বন্ধুত্ব বেশি করেন দেখবেন রেজাল্ট ভাল হয়ে যাবে। মন খুলে হাসবেন আর দেশকে ভালবাসবেন। আমি চাই চেঁচামেচি গান বাজনা হোক, মনের মাঝে যে কষ্টগুলো আছে সেগুলো যেন দূর হয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ কলেজের বসন্ত উৎসব ও পিঠা মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী নাসরিন ওসমান। ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্য সেলিম ওসমান বলেন, একটা উপকার আমাকে করতে হবে। কথাটা খুব কষ্টের। অনেকেই মাসের শেষ বেতন পরিশোধ করো না। সাড়ে ৩ কোটি টাকা বেতন বকেয়া রয়ে গেছে। আমি চাইবো আগামী ২ মাসের মধ্যে যেন বকেয়া বেতন পরিশোধ হয়ে যায়। আবার এটা যেন না হয় বেতন দিব না পরীক্ষাও দিব না। তিনি আরও বলেন, সবাইকে ডাক্তার ব্যারিস্টার হবে এমন কোনো কথা নেই। ট্যাকনিক্যাল বিষয়গুলো জানতে হবে এবং দেশকে গড়ে তুলতে হবে। লেখাপড়া করে জিপিএ ফাইভ পেলেই হবে না। উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অন্যদিকে যেতে হবে। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। সেলিম ওসমান বলেন, আমরা চাচ্ছি নারায়ণগঞ্জে যে কয়টা কলেজ আছে সকল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুইটি প্রতিযোগিতা হবে। একটি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আরেকটি তরুণ প্রজন্মের জন্য। যে কোনো মাঠের মধ্যে সকল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে পুরস্কার বিতরণ হবে। এই অনুষ্ঠানটি কয়েকদিন ব্যাপী হবে। জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করবো এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই নারায়ণগঞ্জের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে কতটা ভালবাসে। জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেছেন, আনন্দ করতে এসেছি। বার মাসের তের পার্বনের একটি হলো ফাগুন মাস। লেখাপড়াকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমরা ফাগুন মাসকে নিব। আমার খুব ভাল লেগেছে। প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্ট আলাদা আলাদা সাজিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ কলেজ ঐতিহ্যের জায়গা। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছি। নারায়ণগঞ্জ কলেজ লেখাপড়ায় সারা বাংলাদেশে সেবা হবে এই প্রত্যাশা করি। আমরা এই দেশটাকে গড়বো। এই দেশকে জাতির পিতার বাংলাদেশ, মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বেলা রানী সিংহ, নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ রুমন রেজা ও গভর্নিং বডির সদস্য এম এ হাতেম সহ কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *