Home » শেষের পাতা » স্কুল ছাত্র ধ্রুব হত্যায় খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

নাসিক নির্বাচনে লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই নারীরা

০৯ জানুয়ারি, ২০২২ | ৮:০২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 66 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীর সাথে পাল্লা দিয়ে পিছিয়ে নেই সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলররাও। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে তাদের প্রচার-প্রচরণা। নানা প্রতিশ্রুতি আর আশার বানী নিয়ে তারা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। এমনি একটি সংরক্ষিত ওয়ার্ড ৪, ৫ ও ৬। সিদ্ধিরগঞ্জের এই সংরক্ষিত ওয়ার্ডে এবার বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৪জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মনোয়ারা বেগম (মোবাইল ফোন), জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা (বই), ডলি আক্তার (চশমা) ও সুমি বেগম (আনারস)। এরমধ্যে বই মার্কার নীলা ২০১১ সালে এই সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই চার প্রার্থী যে যার মতো ভোটারদের তার পক্ষে টানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত দুইদিন ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রায় ৩০ জন অধিবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ৪ জন প্রার্থী মাঠে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোন ও বই মার্কার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। রাজনৈতিকভাবে মনোয়ারা বেগম (মোবাইল ফোন) যেমন ব্যাপকভাবে পরিচিত তেমনি জান্নাতুল ফেরদৌস নীলাও ভোটারদের কাছে পরিচিত মুখ। দুইজনকে নিয়েই ভোটারদের যত আলোচনা। তবে ডলি আক্তার ও সুমি বেগমও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ভোটারদের মন জয় করার জন্য। কিন্তু তারা নতুন মুখ হওয়ায় ভোটাররাও তাদের সম্পর্কে পুরোপুরি ধারনা পাননি। যেহেতু জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আর মনোয়ারা বেগম দায়িত্ব পালন করছেন সেহেতু দু’জনেরই একটা ভালো যোগযোগ রয়েছে ভোটারদের সাথে। ৪নং ওয়ার্ডের অধিবাসী ইকরামুল হোসেন বলেন, ভোটের মাঠে শোনা যাচ্ছে কয়েকজনই প্রচারনা চালাচ্ছেন। তবে বই মার্কার প্রার্থীকে একদিন দেখেছি। তিনি ভোট চাইতে এসেছেন। এরআগেও একবার তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন আমাদের এলাকার এই রাস্তাটি করার সময় তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন। যতটা দেখেছি বা জানতে পেরেছি তিনি অনেক আন্তরিক এলাকাবাসীর জন্য। আসলে আমরা এই ধরনের জনপ্রতিনিধিই চাই। যারা এলাকার উন্নয়নে এবং ওয়ার্ডের মানুষের উপকারে আসবে। একই ওয়ার্ডের ব্যবসায়ি আলিম মিয়া বলেন, মোবাইল ফোন মার্কার ও বই মার্কার অবস্থা বেশী ভালো মনে হচ্ছে। তাদের মধ্যেই মুল প্রতিযোগিতা হবে। তবে বই মার্কার অবস্থা দিন দিন ভালোর দিকে যাচ্ছে। ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা একটি বেসরকারী ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আহমেদ ফয়সাল বলেন, ৪জন প্রার্থী দাড়িয়েছে। কিন্তু দুইজনকে নিয়েই দেখতেছি ভোটারদের মধ্যে আলোচনা। প্রশ্ন ছিল তারা কে? ফয়সাল জানায়, একজন বই মার্কার নীলা আন্টি আরেকজন মোবাইল ফোন মার্কার মনোয়ারা আন্টি। তাদের দুইজনকেই ভালোভাবে চিনি। তারা ভালো মানুষ। তবে আমি চাই এবার নীলা আন্টি বিজয়ী হোক। ৬নং ওয়ার্ডের শিক্ষার্থী কায়কোবাদ, অর্নব, জামান, সজলও একই কথা বলেছেন বই মার্কা বিজয়ী হোক। এছাড়া তিনটি ওয়ার্ডের তরুন-যুবকদের মধ্যেও আলোচনায় বই মার্কার প্রার্থী। প্রসঙ্গত ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৬ হাজার ৬৮৯ জন। ৪নং ওয়ার্ডে ১৫ হাজার ৩৯৩ জন, ৫নং ওয়ার্ডে ১৩ হাজার ৮২৬ জন ও ৬নং ওয়ার্ডে ১৭ হাজার ৪৭০ জন। আগামী ১৬ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *