Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

নির্বাচনী এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান নেই

০৪ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 79 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আগামী ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আর এই সংঘর্ষে অবৈধ অস্ত্রও ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ এসকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। এমনকি অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে মারধর করার ঘটনায় মামলা হলেও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নেই কোন অভিযান। সর্বশেষ কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হাত পাখা মার্কার প্রার্থী ওরম ফারুককে পিস্তল ঠেকিয়ে মার ধরের ঘটনায় মামলা হলেও সেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এদিকে, আগামী ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের তিনটি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৩ দিন নির্বাচনী এলাকায় সকল ধরণের লাইসেন্সধারী বৈধ অস্ত্র বহন, প্রদর্শন ও অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের জেএম শাখা থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ সাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সদর, বন্দর ও রূপগঞ্জ এই তিন উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩ দিন এই আদেশ কার্যক্রর থাকবে। তবে সরকারী কর্মকর্তা, আইন-শৃংখলা রক্ষায় সম্পৃক্ত সকল বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন সরকারী, আধা সরকারী, বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তর, আর্থিক অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা সমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরীর জন্য এই আদেশ প্রযোজ্য নয়। অথচ নির্বাচনী সহিংসতায় যে সকল অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো উদ্ধারে কোন অভিযান নেই। সূত্র বলছে, আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে  নারায়ণগঞ্জে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সন্ত্রাসীরা। কেননা নির্বাচনে সন্ত্রাসীদের চাহিদা বেড়ে যায়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে সন্ত্রাসী বাহিনী। যারা নিজেদের সাথে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করছে। কিন্তু বর্তমানে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তেমন কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায় না। মূলত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিগত সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা বন্ধ থাকায় নারায়ণগঞ্জে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বেড়েছে। এব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আপাতত বিশেষ অভিযান বন্ধ রয়েছে। এদিকে, বিগত দিনে র‌্যাব-১১ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধানে অভিযান িেপরচালনা করলেও তারাও নিশ্চুপ রয়েছে। সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সেক্টর নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে আসছে সন্ত্রাসীরা। এছাড়াও রাজনৈতিক ক্যাডারদের কাছেও রয়েছে বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারী হকার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের দুই সংঘর্ষতে। ঐ সংঘর্ষে উভয় গ্রুপ থেকে গুলি ছোড়া হলেও তা ছিল না কোন বৈধ অস্ত্র। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ঝুট, তেল, জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দেখা গেলেও নারায়ণগঞ্জে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ কোন অভিযান দেখা যায় না। সম্প্রতি নির্বাচন ইস্যুতে আবারো অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে। বিমেষ করে রূপগঞ্জ ও কাশীপুরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *