Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

নির্বাচন ঘোলাটে করার চেষ্টা!

১২ জানুয়ারি, ২০২২ | ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 67 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার সাংসদ শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমানের প্রার্থী এমন মন্তব্য করে আলোচনার জন্ম দেন আইভী। তার এই মন্তব্যের পরদিনই সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করেছেন তৈমূর আলম খন্দকার। একই সাথে শামীম সেলিমের পায়ে হাঁটার মত অবস্থা তৈমূরের হয়নি তাও জানিয়ে দেন সাফ সাফ।এছাড়াও শামীম ওসমান সাংবাদিক সম্মেলন করে তার অবস্থান জানিয়ে দেন। তবে আইভীর এই বক্তব্য নারায়ণগঞ্জে আলোচনা ফেললেও সাদরে গ্রহণ করতে পারেননি তৈমূর পন্থী বিএনপি নেতারা। তৈমূরের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাকে ওসমানপন্থীদের সাথে জড়িয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। আর এমন অপবাদ দিয়ে জনপ্রিয়তায় ভাটা আনা যাবেনা বলেও জানান তারা। গত শনিবার বন্দরে নির্বাচনের গণসংযোগকালে মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, তৈমুর আলম খন্দকার বিএনপির প্রার্থী না। সে গডফাদার শামীম ওসমান, সেলিম ওসমানের প্রার্থী। শামীম ওসমান তাকে প্রার্থী করেছে। যদি সে বিএনপির প্রার্থী হতো তাহলে সে ধানের শীষ নিয়ে নামতো। আর ধানের শীষের সাথে আমার এই চাচা থাকতো না। উনি নৌকার আইভীকে বেঁছে নিত না। উনি গডফাদারের প্রার্থী, শামীম ওসমানের প্রার্থী। নতুন করে আবার উত্থান হতে শুরু করেছে। তার এই বক্তব্যের পর তৈমূর আলম খন্দকার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত মন্তব্য করেছেন, সরকার দলীয় নেতাদের এই বিভেদ নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। আমি বলতে চাই, শামীম ওসমানের পায়ে তৈমুর আলম খন্দকার হাটেনা। গত ৫০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। আমার এমন কোন অবস্থা হয়নাই যে শামীম ওসমান বা সেলিম ওসমানের পায়ে আমাকে হাঁটতে  হবে। তবে আইভীর মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তৈমূর পন্থী মহানগর বিএনপির এক নেতা বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী আইভী হাতির জনপ্রিয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তৈমূরের সাথে সর্বস্থরের মানুষের সমর্থন দেখে কিভাবে তাকে বিতর্কিত করা যায় সেই সুযোগ খুঁজছে। তার পাশে কাউকে না পেয়ে এখন তৈমূরকে ওসমানপন্থী বানানোর চেষ্টা করছে। তার এই চেষ্টা নারায়ণগঞ্জবাসী বুঝতে পেরেছে। কোন অপপ্রচার চালিয়ে হাতির জনপ্রিয়তায় ভাটা আনা যাবে না। একই বিষয়ে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা বলেন, তৈমূর যদি ওসমান পরিবারের সমর্থন নিয়ে নামতো তাহলে দল অনেক আগেই তাকে বহিস্কার করতো। বরং দল তাকে অব্যহতি দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দিয়ে দিয়েছে। বিএনপির নেতারা অবুঝ নন। তারা সব জানেন ও বুঝেন। আর যেই শামীমকে ঠেকাতে তৈমুর বসে পড়েছিলো সেই শামীমের পক্ষে যাবে এটা হাস্যকর। এই ধরণের মন্তব্য শুধুমাত্র অপপ্রচার আর নির্বাচনকে ঘোলাটে করার চেষ্টা। মূলত তৈমূরকে ঘায়েল করতেই এই আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *