আজ: মঙ্গলবার | ২রা জুন, ২০২০ ইং | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১০ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | দুপুর ১:০৪

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

নূর হোসেনের অস্ত্রভান্ডার ওমর ফারুকের কব্জায়!

ডান্ডিবার্তা | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ৩:০৪

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ তুলছেন স্থনীয় এক আওয়ামীলীগ নেতা। একই সঙ্গে সাত খুনে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অন্যতম প্রধান আসামি নূর হোসেনের মাদক ব্যবসা বর্তমানে কাউন্সিলর ওমর ফারুক নিয়ন্ত্রণ করছে বলেও দাবি করেন ওই নেতা। গতকাল রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের হানিফ খান মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সিদ্ধিরগঞ্জ ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. চাঁন মিয়া যিনি বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু কর্মজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, নূর হোসেন ১৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়। যার মধ্যে একটি অস্ত্র ওমর ফারুক ব্যবহার করতো। আর অন্য ১২টি অস্ত্র প্রশাসন জব্দ করে নেয়। সবশেষ ওমর ফারুকের অস্ত্র সাবেক এসপি হারুন অর রশিদ জব্দ করে নেয়। আর সেই অস্ত্র যেন পুনরায় তাকে না দেওয়া হয় সেজন্যও অনেকে ডিসি অফিস সহ ঊর্ধ্বতনদের কাছে লিখিত আবেদন করেছে।এসব অভিযোগ করলেও লিখিত বক্তব্য পড়ে আওয়ামীলীগ নেতা চাঁন মিয়া বলেন, ১নং ওযার্ডের পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় একটি আরসিসি সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ কাজ নিয়ে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদ করায় আমার ক্ষতি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। আর সেই মহলের মূল হোতা কাউন্সিলর ওমর ফারুক। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরেই কাউন্সিলর ফারুক ও তার বাবা ইউনুস মিয়া আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্রে আমি ও আমার পরিবার ভয় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। তিনি জানান, জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকার সড়কটি নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সড়কটির পাশে আমার দুটি বাড়ি থাকায় কাউন্সিলর ফারুক নির্মাণ কাজে বাধা সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে সড়কটির টেন্ডার হয়। সড়কটি ১২ ফুট প্রস্থ করতে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বাড়ি ২ফুট ভাঙা পড়ে। কিন্তু রফিকুল ইসলাম কাউন্সিলর ফারুকের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে ২ ফুট ভাঙতে রাজি হয়নি। ফলে সড়ক নির্মাণ কাজটি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে মেয়র আইভীর নির্দেশে প্রকৌশলী ও এলাকাবাসীর মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হলে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু অতিতের সব সিদ্ধান্ত মানা হয়নি। তখন আমি প্রতিবাদ জানাই। তখন কাউন্সিলর ফারুক অপপ্রচার চলায় আমি সড়ক নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করছি। কিন্তু আমি সড়কের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেই যার কপি আমার কাছে আছে। তিনি আরো জানান, সড়ক নির্মাণ প্রসঙ্গ তুলে ধরাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। প্রতিপক্ষ মহল আমাকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও আথিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও আমাকে বিএনপি নেতা বানানোর ষড়যন্ত্র করছে। এসব কিছু থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আমি আপনাকের কাছে এসেছি। তিনি বলেন, আমি চাইলে অবিলম্বে কাউন্সিলর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অবিলম্বে সড়ক ও ড্রেন ভালো ভাবে নির্মাণ শুরু হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *