Home » প্রথম পাতা » গভীর রাতে বোট ক্লাবে কী করেছিলেন পরীমণি?

নেতাকর্মীদের সমন্বয়হীনতার নেপথ্য

০৯ জুন, ২০২১ | ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 21 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করে দলকে শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় নেতারা বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা ভেস্তে যাচ্ছে। মূলত নারায়ণগঞ্জ বিএনপির দলীয় কার্যালয় না থাকায় নেতাদের সাথে কর্মীদের সমন্বয় হচ্ছে না। এতে করে শৃঙ্খলা ফিরছে না নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয় বিহীন সাড়ে তিন বছর। দীর্ঘ এ সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও মহানগর বিএনপি চলছে নেতাদের ঘরোয়া বৈঠক ও ঘর থেকে নির্দেশনার মাধ্যমেই। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বিষয়টি এখন মেনে নিতে নারাজ। দীর্ঘ এ সময়ে জেলা ও মহানগর বিএনপি নেয়নি কোনো অস্থায়ী কার্যালয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমানে আহবায়ক কমিটি থাকায় সকলেই দায় এগিয়ে যাচ্ছেন আর মহানগর বিএনপি শহরের কালিরবাজারে ফ্রেন্ডস মার্কেটে মহানগর বিএনপির সভাপতি আবুল কালামের অফিসকে একটি অস্থায়ী কার্যালয় ঘোষণা করে সেখান থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সেটি বর্জন করে মূলধারা থেকে বেরিয়ে মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মার্কেটের তৃতীয় তলায় নিজস্ব কার্যালয়টি রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করছেন। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়টি ভেঙে দেওয়া হয়। এর আগে আদালতে কার্যালয়টি না ভাঙতে মামলা করেছিল বিএনপি। সে মামলায় জয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) কার্যালয়টি ভেঙে ফেলে। মামলায় পরাজিত হয়ে উপায় না পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা নাসিক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অস্থায়ী কার্যালয়ের জন্য বললে আইভী তাদের অস্থায়ী কার্যালয়ের জন্য স্থান দেখতে বলেন। তবে দীর্ঘ তিন বছর পার হলেও সে স্থান ঠিক করতে পারেনি জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। এমন অবস্থায় কার্যালয়হীন নেতাকর্মীরা নিজেদের বসার বা আলোচনার কোনো স্থান পাচ্ছেন না। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন জানিয়েছিল, ২০১৩ সালের মার্চে জেলা বিএনপির কার্যালয় ও এর নিচতলায় অবস্থিত দোকান মালিকদের অনেক আগেই বলা হয়েছে সেখানে নয় তলাবিশিষ্ট মার্কেট ভবন করা হবে। এর মধ্যে এখানকার ভবনে নিচ তলায় যেসব দোকান মালিকরা রয়েছেন তাদের নতুন ভবনের নিচতলায় অনুরূপ আকৃতির দোকান দেওয়া হবে। এছাড়া দ্বিতীয় তলায় থাকা জেলা বিএনপির কার্যালয়টিও অনুরূপ আকৃতির করে দেওয়া হবে। কারণ বিএনপি কার্যালয় ও দোকান মালিকরা আগেই পজিশন কিনে নিয়েছেন। এ কারণেই তাদের কেনা পজিশনের আকৃতি অনুযায়ী নতুন ভবনে জায়গা দেওয়া হবে। চার তলার পর করা হবে আবাসিক ফ্ল্যাট। সূত্র বলছে, দলীয় কার্যালয় না থাকায় নেতারা কয়েকটি ভাবে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করছে। পাশাপাশি নেতাদের সাথে কর্মীদেরও দূরত্ব বাড়ছে। তাই নারায়ণগঞ্জ

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *