আজ: বুধবার | ৮ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | ভোর ৫:০৭

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

পলাশ কুমার রায় হত্যার প্রতিবাদে জাগো হিন্দু পরিষদের মানববন্ধন

ডান্ডিবার্তা | ১৫ মে, ২০১৯ | ১০:৩১

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ঢাকা বারের আইনজীবী পলাশ কুমার রায়কে জেলখানায় পুড়িয়ে হত্যা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি দখল, মন্দির ভাঙচুর, নারীদের শ্লীলতাহানি ও কথায় কথায় হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে জেলা জাগো হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাগো হিন্দু পরিষদের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস কাজলের সভাপতিত্বে মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সঞ্জয় বণিক, সহ সভাপতি অভিজিত বণিক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি লিটন চন্দ্র পাল, জাগো হিন্দু পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজন দাস, সহ সভাপতি অসিম কুমার রায়, অজয় সূত্রধর, সঞ্জীবন মন্ডল, চন্দন দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অভি যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিত রায়, দপ্তর সম্পাদক রিপন দাস, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বীরবল রয় বীর সহ, নিলয় সাহা, জয় সাহা, নয়ন দাস, প্রদীপ দাস, পলাশ বিশ্বাস ও মহানগর প্রতিনিধি উজ্জ্বল ঘোস সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হিন্দুরা কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা জানি, কারাগার নিরাপদ জায়গা। চারপাশে নিরাপত্তার বলয় দেয়া থাকে। কিন্তু এই কারাগারের ভিতরে পলাশ কুমার রায় কিভাবে আগুনে পুড়ে মারা গেলো। আমর এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার চাই। সেই সাথে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি। তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদান রয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন পর পরই হিন্দুদেরকে বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করার দাবী জানাচ্ছি। সরকারের কাছে আমাদের দাবী থাকবে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে সংখ্যালঘুদের নিয়ে ভাবার জন্য। আমরা আর কোন অন্যায় অত্যাচার মেনে নিবো না। উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দুপুরে একটি প্রতিষ্ঠানের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করার সময় প্রধানমন্ত্রীর নামে পলাশ কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। রাজীব রানা নামে এক তরুণ তার বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করেন। তাকে আটক করে ২৬ মার্চ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ২৬ এপ্রিল কারা হাসপাতালের বাথরুমে অগ্নিকান্ডের শিকার হন তিনি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ এপ্রিল দুপুরে পলাশ মারা যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *