আজ: শনিবার | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৯ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | দুপুর ২:১২

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

ফতুল্লার দুইটি কোল্ডস্টোরেজ থেকে খাবার অনুপযোগি বিপুল পরিমান পঁচা খেজুর জব্দ

ডান্ডিবার্তা | ৩০ এপ্রিল, ২০১৯ | ৩:৩৩

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ফতুল্লায় দুটি হিমাগার থেকে বিপুল পরিমাণের পঁচা খেজুর জব্দ করেছে র‌্যাব-১১। ধর্মগঞ্জে অবস্থিত ইনকিলাব সম্পাদক এ এম বাহাউদ্দিনের মালিকাধীন শাহীন কোল্ডস্টোরেজ ও নাগরিক ঐক্যের নেতা এসএম আকরাম পরিবারের মালিকানাধিন আদর্শ কোল্ড স্টোরেজে এই অভিযান চালানো হয়। গতকাল সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে ওই অভিযান চালানো হয়। র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত ওই হিমাগার দু’টিকে সীলগালা করে দেয়। রমজান মাসকে সামনে রেখে এই নষ্ট খেজুরগুলো সারা দেশে বাজারজাত করার প্রক্রিয়া চলছিল বলে র‌্যাব জানিয়েছে। অভিযানে ইনকিলাবের মালিক বাহাউদ্দিনের মালিকানাধিন শাহীন ক্লোডস্টোরেজ থেকে ৪‘শ ১০ টন খাওয়ার অনুপযোগী খেজুর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও পঁচা খেজুর রাখার অপরাধে অর্ধকোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও এসএম আকরামের পারিবারিক মালিকানার কোল্ডস্টোরেজেও অভিযান চালানো হয়। এখান থেকেও পঁচা খেজুর আটক করা হয়েছে। তবে কি পরিমাণ খেজুর এখান থেকে জব্দ করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম জানান, আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে এই দুুটি হিমাগারে খেজুরগুলো মজুদ করে রাখা হয়েছিল, যা কমপক্ষে তিন থেকে চার বছর আগের আমদানিকৃত। খেজুরগুলো একেবারেই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হিমাগারে পঁচা দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এই খেজুর একেবারেই খাওয়ার অনুপযোগী এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। একই সাথে নষ্ট খেজুরগুলোতে এক ধরনের সিরাপ ¯েপ্র করে চকচকে করে নতুন বস্তায় ভরে রাখা হয়েছে। রাজধানীর বাদামতলী, যশোর ও খুলনাসহ সারা দেশে এই খেজুরগুলো বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। এই হিমাগারগুলোর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি মো. আলেপ উদ্দিন অভিযানের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, শাহীন কোল্ড স্টোরেজ থেকে ৪‘শ ১০ টন খাওয়া অনুপযোগী খেজুর জব্দ করা হয়েছে এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও আরও অভিযান চলছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে। তিনি আরও জানান, রমজান মাস উপলক্ষে নষ্ট খেজুরগুলো যাতে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্য র‌্যাব আগে থেকেই হিমাগার দুটির উপর গোয়েন্দা নজরদারি করে আসছিল। নারায়ণগঞ্জসহ র‌্যাব-১১ আওতাধীন আরো সাতটি জেলায় অসাধু ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ করতে না পারে সেজন্য র‌্যাবের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। এ প্রসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এসএম আকরাম জানান, হিমাগারটির চারআনার মালিকানা আমাদের পরিবার। বাবার সূত্রে আমরা ওই চারআনার অংশিদারিত্ব পেয়েছি। এর রক্ষণা বেক্ষণ সবটাই করেন ওহাব সাহেব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *