আজ: মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সকাল ৬:২৩

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

ফতুল্লায় চার বছরের শিশু অপহরণ

ডান্ডিবার্তা | ১৯ জুন, ২০২০ | ১:০৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ফতুল্লা থেকে গার্মেন্টকর্মী দম্পতির ৪ বছর বয়সী মার্জিয়া নামে এক শিশু কন্যা অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ আমতলা এলাকার দ্বীন মোহাম্মদের বাড়ি থেকে অপহরণের তিন দিন পর গত বুধবার সন্ধ্যায় থানায় অভিযোগ করেন শিশুর বাবা গোলাম মাওলা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ আমতলা এলাকার দ্বিন মোহাম্মদের বাড়িতে গোলাম মাওলা ও তার স্ত্রী ইতি বেগম ভাড়ায় থেকে স্থানীয় গার্মেন্টে তারা কাজ করেন। তাদের মার্জিয়া (৪) ও মারজান (৩) নামে দুটি শিশু কন্যা রয়েছে। ফতুল্লায় তাদের নিয়ে গার্মেন্টে কাজ করতে সমস্যা হওয়ায় গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার সাহেবের হাট থানার চর আইচা গ্রামে বড় বোন মায়া ও তার স্বামী চান ফকির ওরফে চান্দুর কাছে মাসে খাবার খরচ দুই হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে দুই কন্যাকে ৪ মাস পূর্বে রেখে আসে গোলাম মাওলা। এর মধ্যে ৭ হাজার টাকা দিয়েছে গোলাম মাওলা বাকী ১ হাজার টাকার জন্য ১৪ জুন ভোরে দুই মেয়েকে নিয়ে ফতুল্লায় তার বাবা মায়ের বাসায় আসে চান্দু ফকির। সঙ্গে রাকিব (১৮) নামে আরো একজন পঙ্গু যুবক নিয়ে আসে চান্দু ফকির। ওই যুবকের বিষয়ে গোলাম মাওলা তার বোন জামাতা চান্দু ফকিরকে জিজ্ঞেস করলে সে তার মামাতো ভাই বলে পরিচয় দেন। পরের দিন ভোরে গোলাম মাওলা ও তার স্ত্রী ইতি বেগম গার্মেন্টে কাজে যাওয়ার সময় চান্দু ফকিরকে বলেন দুপুরে কাজ থেকে ফিরে গ্রামে যাওয়ার ভাড়া ও মেয়েদের খাবারের বাকি এক হাজার টাকা দিবেন। দুপুরে স্বামী স্ত্রী কাজ থেকে ফিরে বাসায় এসে দেখেন চান্দু মিয়া ও ছোট মেয়ে মারজান ঘুমিয়ে আছে। বড় মেয়ে মার্জিয়া ও পঙ্গু যুবক রাকিব বাসায় নেই। এসময় বোন জামাতা চান্দু ফকিরকে জিজ্ঞেস করলে সে একেক সময় একেক কথা বলে এক পর্যায়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায় গ্রামের বাড়িসহ নানা স্থানে খোজে না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেন। গোলাম মাওলা র বলেন, মার্জিায়াকে না পেয়ে তার মা ইতি বেগম পাগলের মতো বিলাপ করছে। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। আমি কিছুই বুজতে পারছিনা চান্দু ফকির অল্প কিছু টাকার জন্য আমার শিশু কন্যাকে অপহরণ করবে। তাদের বাড়িতে যখন ছিল তখনই সে অপহরণ করতে পারতো। আমি চান্দু ফকির ও তার সহযোগীর গ্রেফতার দাবী জানাই এবং আমার শিশু কন্যাকে উদ্ধার চাই। অভিযোগের তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবির জানান, ঘটনাটি রহস্যজনক। তবে চেষ্টা করছি চান্দু ফকির ও তার সহযোগী রাকিবের সন্ধান বের করতে। আশা করি দ্রুত তাদের সন্ধা পাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *