Home » প্রথম পাতা » ফারদিন হত্যা মামলায় তথ্যগত ভুল: ডিবি

ফতুল্লায় বিএনপির রাজনীতিতে চলছে ভানুমতির খেলা!

১২ নভেম্বর, ২০২২ | ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 70 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক কার্য্যক্রম। দ্বাদশ নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেও আহ্বায়ক কমিটিকে পূনাঙ্গ কমিটিতে রূপদিতে ব্যর্থ হয়েছে জেলা বিএনপি। এদিকে আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়ার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পূনাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় হতাশা বিরাজ করছে ফতুল্লার মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। অপরদিকে কমিটি না হওয়ায় দলে স্থান পাচ্ছে না রাজপথের ত্যাগী নেতৃবৃন্দ। সাংসদ নির্বাচনের আগ মুহুর্তে ফতুল্লা থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পূনাঙ্গ কমিটিতে রূপান্তর করা না হলে এর প্রভাব নির্বাচনে পড়ার শংকা করছেন তৃনমূল বিএনপির নেতৃবৃন্দ। সূত্রমতে, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী জাহিদ হাসান রোজেলকে আহ্বায়ক এবং শহীদুল ইসলাম টিটুকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়। কমিটি গঠনের শুরুর দিকে দলীয় কর্মসূচী পালনে আহ্বায়ক কমিটিকে উজ্জীবিত দেখা গেলেও বর্তমানে তেমন একটা সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না সাংগঠনিক কার্য্যক্রম। তবে, নির্বাচনের আগ মুহুর্তে ফতুল্লা থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পূনাঙ্গ কমিটিতে রূপান্তরিত করা হবে বলে ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম টিটু। জানা যায়, ফতুল্লা থানা কমিটির সর্বশেষ সভাপতি ছিলেন ব্যবসায়ী শাহ্ আলম। তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার দীর্ঘ সময় পর ফতুল্লা থানা বিএনপির  আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়। তবে, শাহ্ আলম দল থেকে অব্যাহতি নিলেও রাজনীতিতে কতৃত্ব রাখতে তার বিশ্বস্ত সহচর আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসকে পূনাঙ্গ কমিটির দায়িত্বপূর্ণ পদে আসীন করতে জোড় তদবীর চালিয়ে যাচ্ছেন। সাবেক সভাপতি শাহ্ আলমের তদবির রয়েছে আজাদ বিশ্বাসের পক্ষে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ঘেঁষা। বিএনপির দলীয় কর্মসূচির চেয়ে সরকারদলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তিনি। অন্যদিকে তৃণমূলের সমর্থন রয়েছে অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের পক্ষে। তিনিও ফতুল্লা থানা কমিটির সভাপতি ছিলেন। আহ্বায়ক কমিটি ভেঙ্গে পূনাঙ্গ কমিটিতে দায়িত্বপূর্ণ পদে অধ্যাপক মনিরুল ইসলামকে দেখা যাবে বলে শোনা যাচ্ছে।  মনিরুল ইসলামের পক্ষে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনও। একটি সূত্র বলছে, বিএনপি থেকে পদত্যাগ করা শাহ আলমের ইচ্ছা পূরণ করতে আজাদ বিশ্বাসকে কমিটির দায়িত্বশীল পদে আসীন করতে লবিং চলিয়ে যাচ্ছেন শাহ আলম। অপরদিকে, অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলামকে থানা কমিটি থেকে মাইনাস করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি নিজেই। মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে মাইনাস করার চেষ্টা চলছে। সেই মিশন নিয়েই মাঠে কাজ করছেন একটি শক্তিশালী মহল। ফতুল্লা থানা বিএনপির রাজনীতি একটি বলয়ে আবদ্ধ করে রাখঅসহ ধ্বংসের জন্যই এমন ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি বলেন, দলকে গতিশিল এবং ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমেই ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটি গঠন করা হবে। আর এ কমিটি দ্বাদশ নির্বাচনের আগ মুহুর্তেই করা হবে। এ সময় নতুন অনেক মুখ দেখার পাশাপাশি সুবিধাবাধীদের অনেকেই বাদ পড়বেন বলে তিনি আশ্বস্থ করেন। এমনকি আহ্বায়ক কমিটির মধ্য থেকেও বাদ পড়তে পারেন বলেও তিনি ইঙ্গিত প্রদান করেন।প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী জাহিদ হাসান রোজেলকে আহ্বায়ক এবং শহীদুল ইসলাম টিটুকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়। জাহিদ হাসান রোজেলকে আহ্বায়ক এবং শহিদুল ইসলাম টিটুকে সদস্য সচিব করে ফতুল্লা থানা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, আকবর হোসেন, ওমর আলী, রুহুল আমিন শিকদার, আব্বাস আলী বাবুল, এড.এসএম মাহমুদুল হক আলমগীর, এড. আল-আমিন সিদ্দিকী, মো: আলাউদ্দিন বারী, সদস্য সচিব মো: শহিদুল ইসলাম টিটু, সদস্য আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, রিয়াদ মো: চৌধুরী, রহিমা শরীফ মায়া, মো: নাদীম হাসান মিঠু, মো: আবু তাহের মোল্লা, আমজাদ হোসেন শিকদার, মো: বোরহান ব্যাপারী, এড.সৈয়দ মশিউর রহমান শাহীন, মো: গিয়াস উদ্দিন লাভলু, মো: রাসেদুল হক মিলকী, এড. জাহিদ হাসান রুবেল, আবু বখতিয়ার সোহাগ, কায়েস আহমেদ পল্লব, হাবিবুর রহমান রিপন, এনামুল হক মামুন, আবুল হোসেন, শাহজাহান আলী, মাহফুজুর রহমান , জুয়েল , জাহাঙ্গীর হোসেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *