Home » শেষের পাতা » মেয়াদি সুদের ফাঁদে জিম্মি হত-দরিদ্র জনগোষ্ঠী

ফেঁসে যাচ্ছে বাবু হত্যা মামলার বাদী

১৪ মে, ২০২২ | ৬:০৬ অপরাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 23 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বন্দরের বাগবাড়িতে নিলয় আহাম্মেদ বাবু হত্যা মামলার বাদী ফেঁসে যাচ্ছে এমন মন্তব্য এলাকাবাসীর। গত বৃহস্পতিবার বিকালে ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে এলাকার নারী পুরুষরা বাবু হত্যা মামলাটি সাজানো বলে পুলিশকে জানায়। পুলিশ চলে যাওয়ার পর মামলার বাদী লিলি বেগমের ভাই মোসলেউদ্দিনসহ ৬/৭জন মিলে স্থানীয় আনোয়ারের বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাংচুর করে। এর আগেও তারা একই এলাকার আমিনুলের বাড়ি ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, গত ১ মে নিলয় আহাম্মেদ বাবু পুলিশের ধাওয়ায় বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে নিহত হয়।  গত ৪ মে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বন্দর ফাঁড়ির দারোগা রওশন ফেরদৌস ক্লোজ হয়। ঘটনাটি দেশবাসী জানেন। কিন্তু যে দিন লাশ উদ্ধার হয় সেদিন বাদীর পরিবারের লোকজন প্রকাশ্যে পুলিশের ধাওয়ায় বাবু নিহত হয়েছে এমন বক্তব্য কেঁদে গণমাধ্যমের কাছে দিয়েছে যা ফেসবুকেও ভাইরাল হয়েছে। শুধু তাই নয় লাশ উদ্ধারের দিন পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য ইশারায় বাদী লিলি বেগম অন্যের প্ররোচনায় নাসিক ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে একাধিক মানববন্ধন হয়েছে। এদিকে বাবুর মা লিলি বেগম তার ছেলে নিখোঁজের জিডিও করে থানায়। সে জিডিতে লিখেছে তার ছেলে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। লাশ উদ্ধারের ৩/৪দিন পর সে আবার গণমাধ্যমে বলে তার ছেলেকে পুলিশ ধাওয়ার করার পর পুকুরে পড়ে গিয়েছিল পুলিশ চলে যাওয়ার পর সে পুকুর থেকে উঠে এসে তার সাথে কথা বলেছে। পরে নাকি কাউন্সিলর লোকজন এসে তার ছেলেকে ধাওয়া দিলে সে পুনরায় পুকুরে ডুবে মারা যায়। তার এক মুখে এত ধরনের কথায় মামলাটি সাজানো বলে মনে করে প্রশাসনের লোকজন ও এলাকাবাসী। লিলি বেগমের এক আত্বিয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লিলি বেগমকে সাজানো মামলা দেয়ার জন্য সাবেক কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের প্ররোচনায় ও অর্থায়নে এবং স্থানীয় আক্তার হোসেন ও সুমন প্রধান নামের ব্যক্তিরা নিজেরা উপস্থিত থেকে লিলিকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এ ধরনের মামলা করিয়েছে। এদিকে এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। এলাকাবাসী আরো জনান, নিহত নিলয় আহাম্মেদ বাবুর বিরুদ্ধে থানায় মারামারি, ছিনতাই ও মাদকসহ ৩টি মামলা রয়েছে। সে একাবার পুলিশের পোষাক পরে ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হয়েছিল। কাউন্সিলরকে ফাঁসানো হয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য। এ ঘটনার সাথে কাউন্সিলর আশা কোন অবস্থাতেই জড়িত নয় বলে এলাবাসী পুলিশকে জানিয়েছে। এলাকাবাসী পুলিশের কাছে নিরপেক্ষও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। আর সুষ্ঠ তদন্তে হলেই বাদী লিলি বেগম ও তার সহযোগিরা ফেঁসে যাবে সাঁজানো মামলা করার জন্য। এলাকাবাসী যানান সত্য কখনো ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না। সত্য চির সত্যই থাকে। এ ঘটনায় ভিডিও টেভিশনসহ সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে আছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *