Home » শেষের পাতা » হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সড়ক-মহাসড়কে চলছে চাঁদাবাজী

বন্দরে ক্ষমতাসীনদের বেহাল দশা

১১ আগস্ট, ২০২২ | ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 42 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিতে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। স্বাধীনতার স্বপক্ষর শক্তি আওয়ামীলীগ সরকার টানা তিন বারের মত ক্ষমতার আসনে হলেও বন্দরে ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র বিরাজমান। ২০০৯ সাল হতে ক্ষমতার আসনে থাকলেও বন্দরের জাতীয় পার্টির এমপি হওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের তেমন কোন মূল্যায়ম না করার অভিযোগ। এতে তাদের মধ্যে (আওয়ামীলীগ- জাতীয় পার্টি) একপ্রকার ভিতরে ভিতরে বিরোধ দেখা দিয়েছে।  বন্দরে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাসহ তৃনমুলে বিভাজন প্রকাশ্য রুপ নিয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টি ও বিএনপি অনেকটা সক্রিয় অবস্থানে থাকলেও ক্ষমতাসীনরা নীরব। নিজেদের মধ্যে বিভেদ, জাতীয় পার্টির এমপি হওয়ার ফলে দলছুটের মত রাজনীতি করছে ক্ষমতাসীনরা। বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে চরম হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। বর্তমান সাংগঠনিক ভীত এতটাই নড়বড়ে বিরোধী দলকে প্রোটেক করার মত অবস্থানে নেই। সূত্র মতে, (সদর-বন্দর) এলাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। এ আসনের সাংসদ জাতীয় পার্টির। জাতীয় পার্টির সাংসদ সেলিম ওসমান দল নিয়ে বর্তমানে ব্যাস্ত। দলের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনেকটা বেকায়দায় দেখে শোকের মাসে নিজেদের কষ্ট বুকে চাপা রেখে আগস্টের ১ম প্রহর হতে রাজপথে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির নেতা ছগির আহমেদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান,বন্দর থানা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,  মাহবুবুর রহমান কমল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব মিয়া, ফারুক হোসেন জনি, এস এ রানা, ফয়সাল কবির, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি রাজু আহমেদ সুজন, রাজু আহমেদসহ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। সাবেক কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান বলেন, ১৯৯৩ সালে জাকিরুল ইসলাম হেলাল ও আবু হাসনাত শহিদ মোহাম্মদ বাদল ভাইয়ের পরিষদে ছাত্রলীগের রাজনীতি করি। নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজ দিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ছিল। দল ক্ষমতায় আসার পর ওসমান পরিবারের সার্বিক প্রচেষ্ঠায় সিটি কর্পোরেশন হয়। সেই সিটি কর্পোরেশনের ২৩নং ওর্য়াড বন্দর এলাকায় জনগন আমাকে দুইবার ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করেছে। সাবেক মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক ও ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাসগুলো শুধু উপলব্দী করি। যে দল ক্ষমতায় এখন নেতার অভাব নেই। ২০০১ সালে চারদলীয়জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঘটি কয়েকজন নেতা ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। ছাত্রলীগ হতে এখন পর্যন্ত রাজপথে সক্রিয়তা দেখে একাধিক চক্র ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এগুলো কে বা কাদের মাধ্যমে হচ্ছে তা জানি। যেহেতু ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে আজকের অবস্থান। এ সকল ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর জবাব দেয়ার ক্ষমতা থাকলেও তা করতে পারি না। কারন আমার নেতা প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমান ভাই ও বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ চাচাদের কাছ থেকে শিখেছি। আঘাতের বদলে আঘাত না, ষড়যন্ত্র হবে ত্যাগীদের নিয়েই, আতাতকারীদের নিয়ে না। এগুলো ধর্য্য করার নামই আওয়ামীলীগের রাজনীতির মূলধারা। বন্দর থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল হাসান কায়েশ পদ পাওয়ার ২ বছরের মধ্যেই চাকরি হওয়ায় তিনি চাকরি নিয়ে ব্যাস্ত থাকলেও প্রায় ১৫ বছরে এ শূণ্যপদ পূরন করা হয়নি। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কমল ও সাইফুল ইসলাম হলেও কমল রাজপথে সক্রিয় অপরজন বিদায় নেয়ার অবস্থায় ছিল। দীর্ঘদিন পর শোকের মাসে নিজেদের কষ্ট বুকে চাপা রেখে রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। মাহবুবুর রহমান কমলের সংগঠনের কার্যালয় আছে,। ২০০১ সালে যাদের বয়স ৪/৫ ছিল তাদের মত কিছু নব্ব হাইব্রিট ও ব্যানার নেতাদের সাথে কৌশলে আতাত করে তৃতীয় শক্তি তাদের ফয়দা লুটার চেষ্টা চালাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই খেলুক, আমাদের মূল খেলোয়ার ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমান বলে জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির নেতা ছগির আহমেদ। বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতারা রাজপথে যেমন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে তা অন্য কোন সংগঠনের নেতাদের মাঝে বিন্দু পরিমান দেখা মিলেনি। বন্দর থানা যুবলীগের থানা ও পৌর যুবলীগের পুণার্ঙ্গ কমিটি থাকলেও রাজপথে বা দেশের কোন ক্লান্তিলগ্নে তাদের দেখা মিলেনি। ঘুরেফিরে ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা ত্যাগী নীতিতে আপোসহীন ওসমান পরিবারের অনুগামীরা ইউপি চেয়ারম্যান, সিটি কাউন্সিলর হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। নিজেদের ব্যার্থতা ও কোন্দলের কারনে নাসিক বন্দরের ৯টি ওর্য়াড কাউন্সিলরেরর মধ্যে ২ জন আওয়ামীলীগের, ১জন জাতীয় পার্টির ও বাকি ৬টি বিএনপির দখলে। তবে আশার বিষয় নানা বিষয়ে মনে অভিমান থাকলেও শোকের মাসে রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন ত্যাগীরা।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *