Home » প্রথম পাতা » সততা ও দৃঢ়তার মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা যায়: এমপি খোকা

বন্দরে নির্বাচন নিয়ে সহিংসতার আশঙ্কা

০৬ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 77 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বন্দরে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা করছে দুই ইউনিয়নের ভোটাররা। মদনপুর ও কলাগাছিয়ায় নির্বাচনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। ইতিমধ্যে মদনপুরে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্য অস্ত্র নিয়ে হোন্ডা বাহিনীর মহড়া দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বহিরাগত হোন্ডা বাহিনী সড়কে মহড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে নৌকার প্রার্থী এম এ সালাম। এ ব্যপারে সতন্ত্র প্রার্থী শেখ রুহুল আমি বলেন, আমার কোন কর্মী বা সমর্থক মদনপুরের ৬, ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে যেতে পারে না। আমাদের কর্মী কাইনলীভিটা, বাগদোবাড়িয়া, লাউসার ও কেওঢালা এলাকায় গেলেই তাদের বাধা দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমার প্রতিপক্ষ নিজেরাই কোন সংঘাত করে আমার বা আমার কর্মীদের ফাঁসানোর পায়তারা করছে। আমি নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাসী। জনগণ যাকে ভোট দিবে তিনিই চেয়ারম্যান হবেন। আমি কোন প্রকার প্রভাব বিস্তার করিনি। আমার প্রতিপক্ষ মদনপুরে এসে এস সভা করেছেন আমি কোন বাধা দেয়নি। আমি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাসী। ইতিমধ্যে আমার প্রতিপক্ষ আমাকে দমাতে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্ন প্রকার সমস্য সুষ্টিন পায়তারা করছে। আমি চারটি ওয়ার্ডে কেন্দ্রগুলি সম্পূর্ন ঝুঁকিপূর্ন মনে করছি। প্রশাসনের প্রতি আবেদন এই চারটি কেন্দ্র যেন তারা গুরুত্ব সহকারে তদারকি করেন। এদিকে কলাগাছিয়ায়ও নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা করছেন ভোটাররা। গত বৃহস্পতিবার নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করতে গিয়ে কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতা স্থানীয় এমপিকে কুটুক্তি করে প্রচারনা করায় ফুঁসে উঠছে জাপা নেতাকর্মীও ভোটাররা। এছাড়া এক প্রার্থী অপর প্রার্থীকের বিষোদগার করে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেই। এনিয়ে ও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আর এ ইউনিয়নের অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ন। অপরদিকে ধামগড়েও নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে তিনিটি ইউনিয়নেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে মুছাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে কোন সমস্যা না থকলেও মেম্বার প্রার্থী নিয়ে রয়েছে সংঘর্ষের আশঙ্কা। ইতিমধ্যে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মনজুর হাসানকে ঘায়েল করতে প্রতিপক্ষ প্রার্থী রবিউল আউয়াল বিভিন্ন ভাবে কোনঠাসাসহ মনজুরের সমর্থকদের আপহরণ করে সন্ত্রাসী কায়দায় ভোট নেয়ার চেষ্টা করেছে। সব মিলিয়ে বন্দরের নির্বাচন ঝুঁকিপূর্ন অবস্থা বিরাজ করছে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *