আজ: মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সকাল ৭:৩৭

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

বন্দরে মাইক্রোবাসসহ ৪ ছিনতাইকারি গ্রেপ্তার

ডান্ডিবার্তা | ২৬ জুন, ২০২০ | ৩:১৭

বন্দর প্রতিনিধি
বন্দরে মাইক্রোবাস দিয়ে দিন দুপুরে ছিনতাইকালে পুলিশ ধাওয়া করে ছিনতাইকারির ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহা সড়কের কেওঢালা এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ৪ ছিনতাইকারিকে ধরতে গিয়ে টহল ডিউটিতে থাকা কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন খাঁন ও এএসআই মনিরুজ্জামানসহ ৪ পুলিশ আহত হয়েছেন। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহা সড়কের বন্দর উপজেলার মদনপুর বাস স্ট্যান্ডে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৪ টার দিকে একটি নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে যাত্রী ডাকছিলো। এসময় পার্টেক্স গ্রুপের কর্মচারি আব্দুল হান্নান কুমিল্লা যাওয়ার উদ্দেশ্যে মাইক্রো বাসে ওঠেন। মাইক্রোবাসটি মহাসড়কের কেওঢালা এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসে থাকা যাত্রী বেসে ৩ ছিনতাইকারি তার গলায় গামছা প্যাচিয়ে ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ওই যাত্রী ডাক-চিৎকার করলে মহাসড়কের টহল ডিউটিতে থাকা কামতাল তদস্ত কেন্দ্রের পুলিশ মাইক্রোবাসকে ধাওয়া করে চালকসহ ৪ ছিনতাইকারিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারিরা হলো, শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার হুজুরের বাড়ি গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে শহিদ(৩৩), একই উপজেলার সুপেরচর গ্রামের হাকিম আলীর ছেলে আবুল কালাম(৪৫), কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে হোসাইন(৩২) ও বাগেরহাট সদর উপজেলার পাঁচকালি গ্রামের মৃত ছামসুর রহমানের ছেলে শাহীন(৩২)। ছিনতাইকারিদের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইকারিদের গ্রেপ্তার করতে গিয়ে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন খাঁন, এএসআই মনিরুজ্জামান, কন্টেবল খলিলুর রহমান ও হারুন আহত হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *