Home » প্রথম পাতা » শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী আজ

বিএনপিতে অস্থিরতা বিরাজমান

০৬ জুলাই, ২০২২ | ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 47 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট  সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আহবায়ক কমিটি বিলুপ্তির পর রূপগঞ্জের চনপাড়া ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে আরো একধাপ অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব কমিটি বাতিলের পর থেকে নেতাকর্মীদের মধ্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জেলা বিএনপির নিয়ন্ত্রক কে? এমন প্রশ্ন দলের তৃণমূলে। তারাহুরো করে জেলার দশটি আহবায়ক কমিটি গঠনের পর থেকেই জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ভূমিকা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে। এড.তৈমুর বিএনপি নেতা বহিষ্কার হওয়ার পর থেকে আহবায়ক কমিটি তাদের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে শুরু করে। একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পরে আহবায়ক কমিটির শীর্ষ নেতারা। সাংগঠনিক ভীত নড়বড়ে হতে শুরু করে এমন অভিযোগ দলের তৃনমূলের নেতাকর্মীদের। সংশয় দেখা দিয়েছে জেলা বিএনপির  ভবিষ্যত নিয়েও। তবে সিদ্ধিরগঞ্জ ও চনপাড়া কমিটি বিলুপ্তির পর থেকে জেলা বিএনপি কোন পথে হাঁটবে এটাই এখন দেখা অপেক্ষায় দলের সাধারণ নেতাকর্মীরা। সূত্রমতে, জেলা বিএনপির আহবায়ক পদ থেকে এড.তৈমুর আলনকে বাদ দেয়ার মনিরুল ইসলাম রবিকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করা হয়। নাসিস নির্বাচনে তৈমুরের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে জেলে চলে যায় রবি। এরপর নাসিরউদ্দিনকে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করার তিনদিনের মাথায় তড়িৎ গতিতে জেলার দশটি ইউনিট কমিটি গঠন করে আহবায়ক কমিটি। নাসিরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে।  ওই সময় এসব কমিটি বয়কট করে প্রতি বাদমূখর হয় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার নেতাকর্মীরা। কেন্দ্র এবং তারেক রহমানের কাছেও নালিশ চলে যায়।  কিন্তু,  কোন প্রতিকার পায়নি পদ বঞ্চিত দলের ত্যাগী নেতারা। তবে শেষতক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ও চনপাড়া কমিটি বাতিলের মধ্য দিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির নেতারা। উল্লেখ্য,  সিদ্ধিরগঞ্জের আহবায়য়ক কমিটি গঠনের পর থেকেই এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হতে থাকে। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো সংগঠনের সদস্য সচিব শাহ আলম হীরা। পরিপূর্ন আওয়ামী পরিবারের লোক শাহ আলম হীরা বিগত সময়ের আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন অনুপস্থিত। বরং সরকারী দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যেতো প্রায় সময়। তার পরিবারের লোকজন সবাই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় বিএনপির কমিটিতে তাকে মেনে নিতে পারেনি সাধারণ নেতাকর্মীরা।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *