Home » প্রথম পাতা » ফতুল্লার কাশিপুরে মোস্তফার অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

বিএনপির অনেকে কোনঠাসা!

২১ নভেম্বর, ২০২২ | ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 89 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট  গিয়াসউদ্দিনকে বিএনপি থেকে মাইনাস করতে গিয়ে এখন নিজেই মাইনাসের পথে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ গং। রাজধানীতে একটি হামলার ঘটনার রেশ ধরে গিয়াসউদ্দিনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছিলেন মামুন মাহমুদ এবং তাঁর অনুসারীরা। কিন্তু, রাজনীতিতে শেষ বলে কোন কথা নেই। যে কোন সময়ে যে কারো অনুকূলে চলে আসে রাজনীতির মাঠের দখল। তবে ঐ হামলার ঘটনার পর থেকে গিয়াস-মামুনের বিরোধ কিংবা দূরত্ব তৈরি হয়। সেই দূরত্ব মিটানো না গেলে মামুন মাহমুদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব হুমকীর মুখে পরবে এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষক মহল। সূত্রমতে,  গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক চাপে পরেছে আগের কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন, যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ রোজেলসহ তাঁদের অনুসারীরা। অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পরেছে এই দুই নেতা। নিজের উপর নাটকীয় হামলার অভিযোগ তুলে যে নেতাকে মাইনাসের চেষ্টা করেছিল অধ্যাপক মামুন মাহমুদরা, সে নেতার উপরই আস্থা রেখে জেলা বিএনপির দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন দলটির হাইকমান্ড। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব থাকা অবস্থায় নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে বিএনপির রাজনীতি এককভাবে পরিচালনার চেষ্টা করেছেন। এসব করতে গিয়ে নানা ভাবে সমালোচিত হয়েছে এই নেতা। পাশে থেকে ইন্ধন জুগিয়ে বিএনপির বিশাল একটি পক্ষকে মাইনাসের চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে জাহিদ হাসান রোজেল,একরামুল করিম মামুনসহ বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এসব অনিয়মিত, অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে রবি-মামুমের কমিটি বিলুপ্ত করে গিয়াসউদ্দিনকে আহবায়ক এবং গোলাম ফারুক খোকনকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্যের কমিটির অনুমোদন করায় মামুন-রোজলরা কোনঠাসা হয়ে পরেছে, রাজনৈতিক চাপে পরে চুপসে গেছে তাঁদের অনুসারিরাও। ৯ সদস্যের এ কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে। সদস্যসচিব হয়েছেন জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম ফারুক। গিয়াস উদ্দিন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। ১০ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত এই আহ্বায়ক কমিটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি জানাজানি হয়। নতুন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব দুজনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের বাইরে। নতুন কমিটিতে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে আগের কমিটির সদস্যসচিব মামুন মাহমুদকে, আগের কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকে করা হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক। এই পদে অন্যরা হলেন শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মাসুকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, মোশারফ হোসেন ও জুয়েল আহমেদ। এর আগে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকারকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং মামুন মাহমুদকে সদস্যসচিব করে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। চলতি বছর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন তৈমুর আলম খন্দকার। এর জেরে তাঁকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকে। এর পর থেকে মনিরুল ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও মামুন মাহমুদ সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *