Home » শেষের পাতা » না’গঞ্জ থেকে কুমিল্লা যাবে রেললাইন

বিধিনিষেধের প্রথম দিনে নারায়ণগঞ্জ

২৩ জুলাই, ২০২১ | ১০:০৯ অপরাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 50 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

করোনা মহামারির প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করায় দ্বিতীয় দফায় ২৩ জুলাই থেকে চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। জনসাধারণকে বিধিনিষেধ মানাতে মাঠে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন শুক্রবার,রাস্তায় প্রতিটি সড়কে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উপস্থিতি। চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে।সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে আইনশৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা চলছে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে তৎপরতা চালাচ্ছে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে নগরীর চাষাড়ায় পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোডের সাইনবোর্ড, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়, সোনারগায়ের কাঁচপুর, মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা, বন্দরের মদনপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃংখলাবাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমের কাছে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গতবারের চেয়েও এবার কঠোর থাকবে প্রশাসন। বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে আসা যাবে না। বাইরে আসলে ডাবল মাস্ক পরতে হবে।তিনি জানান, যদি ১৪ দিন সফলভাবে এটা করতে পারি, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারব। না হলে এটা (করোনা সংক্রমণ) বাড়তে থাকবে। হাসপাতালে যে চাপ তা ম্যানেজ করতে অসুবিধা হবে। তাই সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। এই ১৪ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে সরকার গত ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে।সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ঈদের পরের ১৪ দিন (২৩ জুলাই-৫ আগস্ট) আগের বিধিনিষেধের মতো সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন, অভ্যন্তরীণ উড়োজাহাজসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তখন সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজগুলো ভার্চ্যুয়ালি সম্পন্ন করবেন। এ ছাড়া শপিং মল, মার্কেটসহ সব দোকানপাট, শিল্পকারখানা, সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।তবে আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা যেমন, কৃষিপণ্য-উপকরণ, খাদ্যশস্য-খাদ্যদ্রব্য পরিবহন বা বিক্রি, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, করোনার টিকাদান, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাকসেবা, ব্যাংক, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ অন্যান্য জরুরি বা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য-সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি (অনলাইনে কেনা বা খাবার নিয়ে যাওয়া) করতে পারবে।ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবেন। এ ছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কঠোর বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল–কারখানা এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্পও এই বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে এবারও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দেওয়ার জন্য মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *