Home » প্রথম পাতা » রূপগঞ্জ ভ’মি অফিসে অনিয়মই যেন নিয়ম

বিরোধ নিয়ে ব্যস্ত আ’লীগ

১৭ মে, ২০২২ | ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 94 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির পরিবেশ ঘুরতে শুরু করেছে। দীর্ঘ দিন জামাত চুপ থাকলেও তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার সোনারগাঁয়ে ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে। তারা এতদিন সরকারের রোশানলের কবলে পড়ে থাকায় গোপানে গোপানে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও গতকাল তারা প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছে। এদিকে বছর জুড়ে বিএনপি মাঠে থাকলেও সরকার বিএনপির কর্যক্রম কানে নিচ্ছে না বা পাত্তা দিচ্ছে না। তবে তাদের বাধা দেয়ার মত একমাত্র পুলিশই সরকারের হয়ে কাজ করছে। মাঠে নেই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। তারা আছে শুরু নিজেদের মধ্যে বিরোধ নিয়ে ব্যস্ত। বিগত সময় বিরোধী পক্ষকে রাজপথ থেকে বিতারিত করতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাথে সহযোগি সংগঠনগুলি মাঠে ছিল। কিন্তু বছর জুড়ে আর তাদের রাজপথে দেখা যায়না। তারা শুরু নিজেদের বিরোধের জন্য নিজের প্রতিহত করতে মাঝে মধ্যে মাঠে নেমে শহর গরম করতে দেখা গেছে। এদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন খারাপ হচ্ছে তেমন দলীয় নেতাদের বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষ আওয়ামীলীগের প্রতি আস্তা হারাতে শুরু করেছে। বর্তমানে বিএনপি প্রতিবাদ সভা করছে বাধাহীন ভাবে। এখন আর পুলিশও তাদের বাধা দিতে দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ হিসাবে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনের লোকেরাও বিরক্ত। এদিকে সব সময় বাম দলগুলি সারা বছরই সরকারের সমালোচনা করেই যাচ্ছে। বামদলের সমালোচনা যুক্তিসংগত বলে অনেকে মন্তব্য করেন। আওয়ামীলীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড় দিলেও ছেড়ে দেন না। তিনি বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেয়ার জন্য যে সকল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট অপকর্ম করে দেশকে অস্থির ও সরকারের বদনাম করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে শেখ হাসিনা। তবে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে রাজনৈতিক যে অস্থিরতা বিরাজ করছে তার জন্য দায়ি ক্ষমাসীন দলের শীর্ষ নেতারা এমন অভিযোগ মাঠ পর্যায়ের তৃনমূলের। শীর্ষ নেতারাই দলকে দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে। আর এ জন্য মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের অভিযোগ মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী নেতারা দলকে ভালবেসে দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করছে এবং আজীবন করে যাবে। কিন্তু পদ পদবী বহনকারী কিছু নেতা দলের ব্যনারে বিভিন্ন সেক্টর দখল করে আজ তারা শত কোটি টাকার মালিক বরে গেছে। যাদের একসময় ঘরে ভাত জুটত না তারা এখন দামি গাড়ি হাকিয়ে চলেন। কোথা থেকে এলে এত টাকা তাদের এমন কোন ব্যবসা বা পৈত্রিক পতিপত্তি নেই যা তারা দেখিয়ে পার পেয়ে যাবে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর না হলে আওয়ামীলীগ সরকারের কাধে বদনাম আরো ভাড়ি হতে থাকবে। এ জন্য তাদের প্রথমে প্রতিহত করতে হবে। আর তাদের কারণেই বিরোধী দলগুলি রাস্তায় নেমে সরকারের সমালোচনা করতে সুযোগ পাচ্ছে। তাই এদের বিরুদ্ধে কঠোর না হলে সামনে সরকারের জন্য কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলের।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *