Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

ব্যস্ততায় দর্জিপাড়া

০১ মে, ২০২২ | ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 48 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

প্রাণঘাতী করোনায় দুই বছর থমকে থাকার পর এবার সরব হয়ে উঠেছে দর্জিপাড়া। ঈদকে সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারায়ণগঞ্জ শহরের দর্জিপাড়ার কারিগরেরা। বাহারি নকশার কাপড় বানাতে সেখানে ভিড় করছেন অনেকে। দর্জি পাড়ার কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই । ঈদের আগ মুহুর্তে এখন চলছে পোশাক সরবরাহের কাজ।

চাহিদা মতো নতুন পোশাক পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। বাড়ানো হয়েছে পোশাক তৈরির মজুরি- এ নিয়ে তাদের মধ্যে কিছুটা অসন্তুষ্টি থাকলেও পছন্দ মতো পোশাক পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। টেইলার্স মালিকরা বলছেন, পছন্দের পোশাকের জন্য রেডিমেড থ্রি-পিস ও থানকাপড় কিনে ক্রেতারা পাড়ি জমাচ্ছেন দর্জি পাড়ায়। দর্জিরাও ক্রেতাদের পছন্দ মতো পোশাক বানাতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা দোকান খোলা রেখে কাজ করছেন। শবে বরাতের আগে থেকে পোশাক কারিগরদের ছুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার কোনও কোনও টেইলার্স কাজের চাপ সামলাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমী কারিগর এনেছেন। নগরের চাষাড়া, কালিবাজার, ডিআইটি এলাকার দর্জিপাড়ায় দেখা যায়, দিনরাত কাজ করছেন দর্জিরা। ছোট-বড় কারখানায় কারো যেন দম নেবার সুযোগ নেই। দোকানের ডানে-বায়ের দেওয়ালে ঝুলছে নানা রঙ ও নকশার বানানো পোশাক। সেলাই মেশিনের একটানা আওয়াজ ভিন্ন আবহ তৈরি করছে। এছাড়া পাড়া-মহল্লার টেইলার্সেও চলছে সমান তালে। দিনরাত নতুন নতুন পোশাক বানাচ্ছেন তারা। ঈদের দর্জিপাড়ায় ব্যস্ততার প্রসঙ্গে কালিবাজার ফ্রেন্ডস মার্কেটের আপন টেইলার্সের মালিক মাসুদ বলেন, ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা খুব বেড়েছে। শবে বরাতের আগে থেকে ক্রেতারা ঈদের পোশাকের অর্ডার দিচ্ছেন। ২৫ রমজানের পর তাদের পক্ষে আর অর্ডার নেওয়া সম্ভব নয় হয়নি। ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছরই টেইলার্স মালিকরা নতুন কারিগর নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে অধিকাংশ টেইলার্সই নতুন কারিগর নিয়োগ দিয়েছেন। ডিআইটির অপরূপা টেইলার্সের মালিক বলেন, এ বছর পোশাক বানানোর মজুরি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। কারিগরদের মজুরি, দোকান ভাড়া, সুতা ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় অর্ডারের মজুরি বাড়ানো হয়েছে। কিছু টেইলার্স আবার কাজের চাপের কারণে অতিরিক্ত মজুরি হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কাপড় অনুযায়ী পোশাক বানানোর মজুরি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সিল্ক, জর্জেট, কাতান, লেলিন, কাপড়ের মজুরি অনেক বেশি। এক সেট থ্রি-পিস বানাতে মজুরি লাগছে ৫০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। একাধিক পোশাক কারিগর জানান, করোনায় কাজকর্ম কম থাকলেও এবার কাজের চাপ বেশি। ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। রমজান মাসের শুরু থেকে আস্তে আস্তে এ ব্যস্ততা শুরু হয়। প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। কারিগরদের মজুরি ভালো হওয়ায় খুশি কারিগররা। আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পরাবেন বলে আশা ব্যবসায়ীদের।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *