আজ: শুক্রবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ১০:০২

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

মসজিদের বিস্ফোরণের ঘটনায় সভাপতি সহ ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

ডান্ডিবার্তা | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৭:৪২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে সিআইডির তদন্ত দল সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার মসজিদ কমিটির সভাপতি আবদুল গফুর সহ ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সকালে বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরনের ঘটনাস্থলে আসে সিআইডি তদন্ত টিম। পরে মসজিদের একটি কক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এসময় মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহণ করে সিআইডি টিম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক বাবুল হোসেন জানান, তদন্তের ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে তারা সমজিদ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এসময় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুরসহ এগারোজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় মুসুল্লি এবং হতাহতদের স্বজনরাও রয়েছেন। এর আগে গত রবিবার মামলার আলামত ও কাগজপত্র পুলিশ সিআইডিকে হস্তান্তর করে। সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন জানান, আমরা দ্রুতই তদন্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি দ্রুতই ফলাফল দিতে পারবো। গত ৬ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় গাফলতির অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিআইডির ডিআইজি মাঈনুল হাসান বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে তদন্ত করবো। আমাদের তদন্তে যাদের অভিযুক্ত পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে অবশই ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি এটি গ্যাস লিক থেকে ঘটতে পারে। এখানে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ সকল প্রকার প্রাসঙ্গিক বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এখানকার এভিডেন্স নিয়ে আমরা আমাদের ফরেনসনিক বিভাগ দিয়ে কাজ করবো। তবে অন্যান্য সব গুলো তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নিয়েও আমরা আমাদের তদন্ত পর্যালোচনা করবো। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে পৌনে ৯টায় ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকায় বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে মসজিদের মুয়াজ্জিন, ইমাম, শিশু, শিক্ষার্থী, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ফটো সাংবাদিক সহ ৩৯ জন দগ্ধ হয়। যাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ৩১জন মৃত্যুবরণ করেন। ৫জন এখনো মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *