আজ: শনিবার | ৬ই জুন, ২০২০ ইং | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | রাত ৩:২৪

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

মহানগর আ’লীগের র‌্যালিতেও এক হতে পারেনি নেতারা

ডান্ডিবার্তা | ৩০ জুন, ২০১৯ | ১১:৩৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
কমিটি গঠনের পর থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগে বিভক্তি দেখা গেছে। বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয় সংগঠনটিতে। কমিটিতে থাকা সিনিয়র অনেক নেতাই কর্মসূচিগুলোতে উপস্থিত থাকেন না। এসব আলোচনা-সমালোচনা ঘোচাতেই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল শনিবার বিকেলে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করে মহানগর আওয়ামী লীগ। র‌্যালিতে তুলনামূলকভাবে কর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও অনুপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অনেক নেতাই। এমনকি এই কমিটির কার্যকরী সদস্য প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানও ছিলেন না আনন্দ র‌্যালিতে। উপস্থিত ছিলেন না কমিটির নয় সহ সভাপতির একজনও। ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর মহানগর আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন পায়। এ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন যথাক্রমে আনোয়ার হোসেন ও এড. খোকন সাহা। কমিটিতে কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান। কমিটিতে রয়েছেন ৯ জন সহ সভাপতি। যুগ্ম সম্পাদক তিনজন ও সাংগঠনিক সম্পাদক তিনজন। কমিটি গঠনের পর থেকেই শুরু হয় বিভক্তি। এই বিভক্তি কাটিয়ে দলকে সংগঠিত করতে পারেননি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। বিগত সময়ে কেন্দ্র ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সংকটে পড়তো মহানগর আওয়ামী লীগ। গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞলি জ্ঞাপনের সময়ও উপস্থিত ছিলেন হাতে গোনা কয়েকজন নেতা। যার ব্যতিক্রম ঘটেনি আনন্দ র‌্যালিতেও। আনন্দ র‌্যালিতে কর্মীদের বিশাল সমাগম করতে পারলেও কমিটির অধিকাংশ সিনিয়র নেতাদেরই আনতে ব্যর্থ হয়েছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের আনন্দ র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন না চন্দন শীল, রোকনুজ্জামানসহ ৯ সহ সভাপতির কেউই। এছাড়া ছিলেন না যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল। অন্যান্য পদধারী নেতাদের মধ্যেও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন না। তবে আনন্দ র‌্যালি শেষে দেওয়া এক বক্তব্যে বিভক্তির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ কিছু নাই। সুবিধাবাদী নেতাদের আমাদের দরকার নাই। যারা সুসময়ে মধু খেতে আসে তাদেরকে প্রত্যাহার করুন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *