আজ: শুক্রবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ১০:৩৩

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

মহানগর ছাত্রদলের নব গঠিত কমিটি নিয়ে আলোচনা সমালোচনা

ডান্ডিবার্তা | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৭:৩৭

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ শহর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয়েছিল। কিন্তু এর পরে আর কোন কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি দাবী করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আহমেদ। তাঁর বক্তব্য, ২০০৩ সালেই পূর্ণাঙ্গ হয় কমিটি। এর পরে ১৭ বছর ধরে আর পূর্ণাঙ্গ হয়নি। এবার আমি সভাপতি হওয়ার পর সকলকে সঙ্গে নিয়েই একটি শক্তিশালী পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করেছি। মহানগরের কমিটির পরে গতকাল মঙ্গলবার ৬টি ইউনিট কমিটি গঠন করা হয়েছে যার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ‘ছাত্র রাজনীতি এখনো ছাত্রদের হাতেই আছে। মহানগর ছাত্রদলের নেতৃত্ব ও কমিটি সেটাই প্রমাণ করে। এ কমিটি দিয়েই আগামীতে নতুন এক রাজনীতির ধারা সূচনা হবে।’ যোগ করেন শাহেদ। নারায়ণগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ২১ সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক মো. রাসেল ও সদস্য সচিব ওসমান হারুনী প্রিতম। সরকারী তোলারাম কলেজে ২১ সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক আতা-ই-রাব্বী ও সদস্য সচিব আজিজুল ইসলাম রাজীব। কদমরসুল কলেজে ১১ সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক মেহেদী হাসান খান রাসেল ও সদস্য সচিব হৃদয় হোসেন। বন্দর থানা ছাত্রদলের ২১ সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক রাহিদ ইসতিয়াক ও সদস্য সচিব আসিফ মকবুল। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের ২১ সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক রাকিবুর রহমান সাগর ও সদস্য সচিব মো. রাজু। ২১ সদস্যের সদর থানা কমিটিতে আহবায়খ কাজী নাহিসুল ইসলাম সাদ্দাম ও সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসাইন খান। এর আগে মহানগর ছাত্রদলের ২২৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় কমিটি। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এই কমিটির অনুমোদন দেন। এর আগে ওই বছরের ৫ জুন শাহেদ আহমেদকে সভাপতি ও মমিনুর রহমান বাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর পর মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো। কমিটির সদস্যদের মধ্যে সভাপতি ছাড়াও ৩৪ জন সহসভপতি, ২৮ যুগ্ম সম্পাদক, ১৮ সহ-সম্পাদক, ২৪ সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সদস্য ৭৮, বাকিরা বিভিন্ন পদে রয়েছেন। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের ৬টি কমিটি ঘোষণা করেছিলেন ওই সময়ের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা ছাত্রদলের সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সভাপতি রাফিউদ্দীন আহম্মেদ রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মাগফুর ইসলাম পাপন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএএম সাগর, সহ-সভাপতি আব্দুর সাত্তার, যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হোসেন খন্দকার ও ফারহান আহম্মেদ নাঈমকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। বন্দর উপজেলা ছাত্রদলের হারুন অর রশিদ লিটনকে সভাপতি ও শাহাদুল্লাহ মুকুলকে সাধারণ সম্পাদক করে সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম নুরুজ্জামান, ১ম যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন ভূইয়া জনি ও দপ্তর সম্পাদক করা হয় বিজয় হোসেন পনিরকে। অন্যদিকে বন্দর থানা ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ রাসেলকে আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আশিকুর রহমান আলী, কামরুল হাসান রনি, রাহিদ ইসতিয়াক, জনি মোল্লা, শিপলু, মহসিন, অহিদুর রহমান, অহিদুজ্জামান শাহজাদা, বাপ্পী দেওয়ান, জাহিদ হাসান দিপু, মুনজুর হোসেন ও শামীম মিয়া। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের কমিটির সভাপতি মমিনুর রহমান বাবু ও রিপন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এতে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় এরশাদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান খলিল শ্যামল, সহ-সভাপতি আলী নূর হোসেন, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাগর, যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজুল আলম ইমন, শাহরিয়ার খান তুষার ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় নাইম সিদ্দিক তুষারকে। সরকারী তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি করা হয় কাউসার আহম্মেদ নামে একজনকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় কাশিপুরের সাইদুর রহমান। সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান অনি, সহ-সভাপতি মাসুদ রানা, যুগ্ম সম্পাদক শাহজালাল, সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় বাইজিদ আল কাউসার ও রফিকুল ইসলামকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি করা হয় জোবায়ের ঝলক, সাধারণ সম্পাদক শান্ত জামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ইরাম, যুগ্ম সম্পাদক রিকসন ও মাসুম বিল্লাহকে সহ-সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *