Home » প্রথম পাতা » ফারদিন হত্যা মামলায় তথ্যগত ভুল: ডিবি

মাদকের বস্তি উচ্ছেদ করে ১৪০ কোটি টাকার জমি অবৈধ দখলমুক্ত

৩০ জুলাই, ২০২১ | ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 102 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোন মাদকের স্পট, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান হবেনা। কেউ মাদক নিয়ে কোন ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনি সচেতন হউন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত চাঁদমারী বস্তি অবশেষে উচ্ছেদ করেছে জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের নেতৃত্বে ভেকু দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে অবস্থিত বস্তিটি শহরের অন্যতম বৃহৎ মাদকস্পট হিসেবে পরিচিত ছিলো। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ শতাধিক ঘর ছিলো এই চানমারী বস্তিতে। এখানে শীষ দিয়ে মাদক বিক্রি প্রচলিত ছিলো। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ বস্তিতে কয়েক যুগ ধরেই মাদক ব্যবসা চলছিলো। প্রায়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর অভিযানও হতো। তবে শত প্রচেষ্টার পরও রহস্যজনক কারণে বন্ধ হয়নি বস্তিকে ঘিরে মাদক ব্যবসা। অবশেষে প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপে বস্তি উচ্ছেদ হওয়ায় মাদকের অন্যতম ‘বড় আখড়া’ চানমারী বস্তি উচ্ছেদ হওয়ায় আশপাশের লোকজন স্বস্থি প্রকাশ করেছে। নারায়ণগঞ্জের চাঁদমারী বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ করে সাংবাদিকের একথা জানান তিনি। এসপি বলেন, এই চাঁদমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার, সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মত ঘটনাও এখানে ঘটে। মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২শ শতাংশ জমি এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মান করেন যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে। জানা যায়, এই ২শ শতাংশ জমির দাম প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই জমিটি প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন দখলে রেখে এখানে মাদক বিক্রেতাদের ভাড়া দিতে তাদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা করাতেন। এখন এটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী। মাদকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চানমারির এই বস্তিতে এখনে বেশ কয়েকটি ঘরে মাদকের আস্তানা ছিলো, আমরা বেশ কয়েকবার অভিযান করেছি। কয়েকজনকে আটকও করেছি, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছেন এবং তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করেছি। আমরা চেষ্টা করছি, আর যাতে কোনো অপৃতিকর ঘটনা না ঘটে। এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বিভিন্নভাবে নিহত হয়েছেন, যারা জীবিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে ডজনের উপরে মামলা আছে, আমরা হুশিয়ারি দিয়েছি তাদের আইনের আওতায় আনবো এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবো।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *