Home » প্রথম পাতা » গভীর রাতে বোট ক্লাবে কী করেছিলেন পরীমণি?

মাদক সম্রাজ্ঞী রেহেনা ধরা ছোয়ার বাইরে

১০ জুন, ২০২১ | ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 63 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
মাদক বেচা কেনার পাশাপাশি অবৈধ কার্যকলাপের সম্রাজ্ঞী মানবাধিকার নামধারী ফেরদৌসি আক্তার রেহেনা পলাতক জীবন যাপন করলেও ফেসবুকে সরব থেকে বিভিন্ন জনকে হুমকী ধামকী দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এখনও নিরব ভূমিকায় রয়েছে। ফলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা যায়, বেশ কয়েক বছর আগে ফেনসিডিলসহ ফেরদৌসি আক্তার রেহেনা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে নারায়ণগঞ্জ আদালতের এক আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনে এসে কোর্টে মুহুরীগিরি শুরু করে। এরপর বিভিন্ন মানুষকে নাজেহাল করে হয়রানী করতে থাকে। ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে শুরু করে দেহ ব্যবসা। ফতুল্লা থানাধীন সস্তাপুর এলাকার সুলতান মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রীর কন্যা ও একাধিক স্বামীর স্ত্রী বহুরূপী রেহেনার মাদক আর দেহ ব্যবসাই মুল পেশা। কিন্তু এরই মধ্যে মক্কেল ধরে ধরে বিয়ে নামক নাটক করে কাবিন বাণিজ্য ব্যবসা চালিয়ে যায়। কোন পুরুষ চাহিদা মাফিক রেহেনাকে টাকা না দিলে আদালতে মামলা দিয়ে হয়রানী করে থাকে। ঈমান আলী, হাকিম, আরমান, মিরাজসহ আরও কয়েকজন মক্কেল রেহেনার খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছে। সম্প্রতি বন্দরের এক ব্যবসায়ীকে নরী দিয়ে ফাঁদে ফেলে দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তী সময়ে ঐলোক নারায়ণগঞ্জ শহরের কিছু যুবকদের জানালে যুবকরা রেহেনাকে চাষাঢ়া ইসলামী হার্ট ফাউন্ডেশনের সামনে আটক করে মারধর করে। এ সময় রেহেনাকে বাঁচাতে সহযোগী মুন্না খবর পেয়ে দ্রুত এক লক্ষ টাকা ফেরত দিয়ে রেহেনাকে উদ্ধার করে। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়ার বেইলী টাওয়ারের এক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে তার প্রাইভেটকার যখন তখন ব্যবহার করছে। নিয়মিত ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার কয়েকটি হোটেলে খদ্দেরসহ রাত্রিযাপন করে মাদকের আখড়া বসিয়ে শারীরিক দহরম মহরম করছে। রেহেনার রয়েছে একটি নারী সিন্ডিকেট। সেই সকল নারীদের দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলকে ব্ল্যাকমেইলিং করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও প্রতারক ফেরদৌসি আক্তার রেহেনার কাছে বেশ কয়েকজন রোটারীয়ান ও প্রবাসী টাকা পায়। তাদের টাকাগুলো দেই দিচ্ছি বলে দিচ্ছে না, বরং উল্টো হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। অনেকের সাথে রয়েছে জমি সংক্রান্ত বিরোধ। ভূমিদস্যুতায়ও রেহেনা যথেষ্ট পারদর্শী। রেহেনার সাথে চলাফেরা করে এমন কয়েকজনের জমিও দখল করে রেখেছে। জমি ক্রয় করার কথা বলে টাকা পয়সা নিয়েও দিচ্ছে না। রেহেনার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় আইসিটি আইনে মামলা রয়েছে এবং নারায়ণগঞ্জ আদালতে রয়েছে ভূমিদস্যুতার মামলা। সেই সাথে অপপ্রচারকারী রেহেনার বিরুদ্ধে আরও রয়েছে মানহানীর মামলা। বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের বহুরূপী হোতা পুরুষ খেকো রেহেনার ছেলে লিমনকে দিয়ে মানুষকে মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং বলে বেড়াচ্ছে, আমি মামলার কারণে দুরে আছি তাতে কি হয়েছে আমারতো উত্তরসূরী ছেলে লিমন রয়েছে। তবে সম্প্রতি মা রেহেনার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের দায়ে ফতুল্লা মডেল থানায় ছেলে বখাটে লিমন বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। সেখানে লিমনের বাবার নাম বলা হয়েছে আরমান মাহমুদ। কিন্তু আদৌ আরমান লিমনের বাবা নন। আরমানের ঔরষজাত সন্তান হলো মুসকান। সেই মুসকান মেয়েটি বর্তমানে রেহেনার কাছেই রয়েছে। তবে বখাটে লিমনকে আটক করলেই মার যত অপকর্মের বিষয়গুলো প্রকাশ্যে বেরিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী জানান। লিমনের মতো করেই রেহেনার অন্যতম বয়ফ্রেন্ড জহিরও ফতুল্লা থানায় নিজেকে বাঁচাতে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। অন্যদিকে রেহেনার আরেক সহযোগী আদম ব্যবসায়ী মোমেন ইসলামও নিজেকে সেফ করার জন্য নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। সেখানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও বিষেদগার করে মোমেন ইসলাম। আরও জানা যায়, ফেরদৌসি আক্তার রেহেনার কয়েকটি ফেসবুক আইডি রয়েছে এবং বেশ কয়েকটি গ্রুপ চ্যাটে সাংবাদিকসহ বেশ কিছু লোকদের হুমকী ধামকী দিয়েই যাচ্ছে। রেহেনা ফেসবুক লাইভে এসে বিভিন্ন সময় মানুষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে এবং রেহেনার কথা অনুযায়ী কেউ চাহিদা মিটাতে না পারলে তার বিরদ্ধেই অভিযোগ তুলে হয়রানী করতে থাকে। এতো অভিযোগ থাকার পরও প্রতারক রেহেনা ও তার সাথে থাকা সহযোগীরা গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে র্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগীরা।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *