Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

মামলার ভারে নূজ¦্য রুহুল আমিন

০৮ জানুয়ারি, ২০২২ | ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 70 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল আমিন মোল্লার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা, মাদক, আপন বড় ভাই কে মারধর, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ চাঁদা দাবির অভিযোগ বহু পুরনো। এসব মামলার ভারে নূজ¦্য এ বিতর্কিত কাউন্সিলর। তার বিরুদ্ধে চলতি সিটি নির্বাচনেও রয়েছে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ। প্রতিপক্ষে প্রার্থী থেকে শুরু করে সমর্থকদের পর্যন্ত হুমকী দিয়ে আসছে রুহুল আমিন প্রধান। সূত্রমতে, গত বছরের ১৯ জুলাই দুপুরে এনায়েতনগর পশ্চিম পাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লী ও সাধারণ সম্পাদক মো. এমরান হোসেন রুহুলের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে (সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা তার ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে এমরান হোসেনের এডিট করা ছবিসহ আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করে অন্য একজনের মেসেঞ্জারে পাঠান। এছাড়াও রুহুল আমিন মোল্লা তার ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন তারিখে ও সময়ে এমরানকে হেয় প্রতিপন্ন করে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করে যাচ্ছেন এবং এডিট করা ছবিসহ স্থানীয় একটি পত্রিকায় মিথ্যা, বানোয়াট,  মানহানিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রকাশিত সংবাদ পোস্ট ও প্রচারণার মাধ্যমে বাদীর সামাজিক সম্মান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে বিপন্ন করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।এছাড়া এই মোতাওয়াল্লী ও সাধারণ সম্পাদক মো. এমরান হোসেনের কাছ থেকে মাসে মাসে চাঁদা আদায় করতেন কাউন্সিলর রুহুল। এ বিষয়ে মোতাওয়াল্লী এমরান এই প্রতিবেদককে বলেন আড়াই বছর আগে ব্যবসা সম্প্রসারণের সময় কাউন্সিলর রুহুল আমিন ও মমিনুল আলম পুষণসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচ ব্যক্তি বাধা দেয়। তারা ভয় দেখিয়ে বলে, ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে প্রতি মাসে এক লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। এর আগে, ১৭ জুলাই কাউন্সিলর রুহুলের ক্যাডার বাহিনীর প্রধান সহযোগী মমিনুল আলম পুষণকে (৩৩) মাদক মামলায় গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। একটি সূত্রে জানা যায়, একাধিক মামলার আসামী পুষণ ওরফে বাবা পুষণ কাউন্সিলর রুহুলের ছত্র ছায়ায় পশ্চিম এনায়েত নগর ও লাকী বাজার এলাকায় জমজমাট ইয়াবা ও জুয়ার আসর চালায়।এছাড়া কাউন্সিলর রুহুলের বিরুদ্ধে মাদকের টাকার ভাগাভাগীর জের ধরে তার আপন বড় ভাই খোকন মোল্লাকে মারার অভিযোগও রয়েছে। তার বড় ভাই খোকন মোল্লা এক ভিডিও বার্তায় এসব বিষয় উল্লেখ করেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন কাউন্সিলর রুহুল আমিন মাদক ব্যবসা করে। ৮নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাউন্সিলর রুহুলের পক্ষে আমি হিসাব রাখতাম এবং মাদক ব্যবসার টাকা রুহুলের হাতে পৌঁছে দিতাম। কিন্তু হিসাবের টাকায় গোলমাল থাকার কথার বলে সে আমাকে মারধর করেছে।খোজ নিয়ে জানা যায় ৮নং ওয়ার্ডের সিটি কর্পোরেশনের সব টেন্ডার কাজের নিয়ন্ত্রণ করেন রুহুল। নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে এসব কাজ করিয়ে থাকেন তিনি। যদি বাহিরের কোন ঠিকাদার তার ওয়ার্ডে কাজ করতে যান বা কাজ পেয়ে থাকেন  তবে গুনে গুনে পারসেন্টেজ দিতে হয় তাকে। বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের শীর্ষ মহলের সকলের জানা থাকলেও রুহুলের জন্য যেন সাত খুন মাফ।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *