Home » প্রথম পাতা » জাপান আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী

মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন বিরোধীতা করছে

১৩ জানুয়ারি, ২০২০ | ৩:৫৫ অপরাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 535 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আইনজীবীদের মতামত ছাড়াই ‘পকেট নির্বাচন কমিশন’ গঠন করা হয়েছে দাবি করে একদিকে চলছে আন্দোলন অন্যদিকে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল বললেন, কার্যকরী কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। এখন বাকি কাজ নির্বাচন কমিশনের। গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এ্যাড. আখতার হোসেনের নাম ঘোষণা করেন সভাপতি এ্যাড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল। সাথে সাথেই এর বিরোধীতা করেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একটি বড় অংশ। এতে সভাস্থলে হৈ-চৈ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে নির্বাচন কমিশনের অন্য কারও নাম ঘোষণা না করেই সভাস্থল ত্যাগ করেন সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল এবং তাঁর অনুসারীরা। পরে সাধারণ আইনজীবীরাও বেরিয়ে গেলে সভা পন্ড হয়ে যায়। পরে ‘আখতার কমিশন’ বাতিলের দাবিতে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীদের বড় একটি অংশ। একই দাবিতে গতকাল রোববার দুপুরে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন তারা। তবে এ বিষয়ে মুঠোফোনে জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি এ্যাড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী কার্যকরী কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে। ইলেকশন কমিশন হিসেবে কার্যকরী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে যাদের নাম বলেছে তাদের নামই গত এজিএমে প্রস্তাব করা হয়েছে।’ আইনজীবী সমিতির সংবিধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না তাদেরকেই কমিশনার হিসেবে দিতে হয়। সে হিসেবে আখতার সাহেব, আশরাফ সাহেবসহ যারা এবারের নির্বাচন কমিশনে আছেন তারা একাধিকবার ইলেকশন কমিশনে ছিলেন। তাদেরকেই কার্যকরী কমিটি সর্বসম্মতভাবে নিয়ে এজিএমে প্রস্তাব করেছে এবং তা পাশ হয়েছে। এজিএমে পাশ হওয়ার পর ইলেকশন কমিশন নিয়ে কোন কথা থাকতে পারে না। এখন বাকি কাজ তো ইলেকশন কমিশন করবে।’ তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রধান আখতার হোসেন। এছাড়া কমিশনার হিসেবে থাকবেন সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. আশরাফ হোসেন, এ্যাড. মেরিনা বেগম, আব্দুর রহিম, শুকচাঁদ সরকার। তবে এই নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ দাবি করে সিনিয়র আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড. আনিসুর রহমান দিপু গতকাল রোববার দুপুরে বলেছেন, ‘কয়েকজনের নাম ঘোষণার পর অনেকে আপত্তি তুললে বাকিদের নাম ঘোষণা না করে, আইনজীবীদের মতামতের তোয়াক্কা না করে উনি (সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল) চলে গেলেন। আমরা বলতে চাই, আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে আছি, আমরা নির্বাচন করতে চাই। আমরা সমন্বয় পরিষদের শাখা সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত আছি। আমরা বলতে চাই যে, কারো প্রতি আমাদের অভিযোগ নাই। এজিএম ডেকে, সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচন কমিশন গঠন করে, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হোক।’ বিপরীতে এ্যাড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল বলেন, ‘এজিএমে পাঁচজনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, নির্বাচনের আপিল বোর্ডের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, সবাই পাশও বলছে। কেউ কেউ তো বিপক্ষে থাকতেই পারে। তারপর বিবিধ আলোচনার কথা বলছি কেউ রাজি হয় নাই। তারপর মিটিং ক্লোজ করে আমরা চলে আসছি। তারপর তো এজেন্ডা নাই, থাকলে তো আলোচনা হবে। মিটিং ক্লোজ হয়ে যাবার পরে মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন তাদের ব্যক্তিস্বার্থে বিরোধীতা করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আইনজীবী সমিতি চলতেছে এবং চলবে। তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। এখন যারা যারা নির্বাচন করতে চায় তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবে এবং জমা দিবে। বারের যে সংবিধান আছে সে অনুযায়ী আইনজীবী সমিতি এগোবে। আমরা আইনজীবী সমিতির কাছে দায়বদ্ধ। আইনজীবী সমিতির সদস্য ১৩০২ জন। যারা মানতেছে না তারা লিখিত কিছু দিচ্ছে কিনা তা আমি জানি না আর পাইও নাই। সুতরাং এ বিষয়ে কিছু জানি না।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *