আজ: রবিবার | ১২ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৮শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | সন্ধ্যা ৬:১৭

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

রমজানের আগেই বাজার অস্থির

ডান্ডিবার্তা | ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ | ৫:৩৬

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

পবিত্র রমজান শুরু হতে কয়েক দিন এখনো বাকি তারপরও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর দাম এখনই বাড়েছে। বিশেষ করে ছোলা, চিনি, খেসারি ও অ্যাংকর, খেজুর, শসার দাম বেশ কিছুটা বেড়েছে। ব্যবসায়ী বলছেন, আগের চেয়ে বেশি দর দিয়েও প্রয়োজনীয় পরিমাণ পণ্য কেনা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে বাজারে। আগামী মাসের প্রথম দিকে রমজান মাস শুরু হবে। তার পরও কেন বাড়ছে পণ্যর দাম। এমন প্রশ্নের জবাবে দোকানি আলোম জানান, রোজায় ইফতারসামগ্রী তৈরির জন্য যে কয়টি পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এর আগেই বেড়েছে ছোলা, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম। এই দাম বৃদ্ধির জন্য তিনি অজুহাত দিচ্ছেন সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ঘাটতির কারনকে। ইফতারিতে ব্যবহৃত যেসব পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে অন্যান্য সবজিতেও। বেড়েছে সব ধরনের লেবুর দামও। এতো গেল কাঁচাবাজার। এর বাইরে অন্যান্য বাজারেও রমজানের প্রভাব পড়ছে। টেইলারিং দোকানে শুরু হয়েছে কর্মব্যাস্ততা। সেখানেও অন্যান্য সময়ের তুলনায় মুজুরীর পরিমান বাড়িয়ে দিয়েছে। অর্ডার নেয়ার ক্ষেত্রেই তারা বুঝে শুনে নিচ্ছে। কোন কোন দোকানে এরই মধ্যে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আলোম মিয়া বলেন, রোমজানকে নিয়ে ব্যবসায়ীরা ফাঁদ পেতে বসেন। সারা বছর যে পরিমান কাজ হয় তার চেয়ে বেশি কাজ হয়ে থাকে এই রমজান মাসে। এই কারনে এই মাসে ব্যবসায়ীরা ছাড় দেয়া উচিত অথচ তারা এই মাসে আরো দাম বাড়িয়ে দেয়। এটা অনৈতিক বলে মন্তব্য করেন তিনি। সালমা বেগম বলেন, রমজানে যে সব জিনিস দরকার হয় সে সব জিনিস গুলোতে দাম বাড়ছে। এর মানে হচ্ছে ব্যবসায়ীরা রমজানকে নিয়ে ফাঁদ পাতে। আর সেই ফাঁদে আমরা পা দিতে বাধ্য হই। অথচ অন্যান্য দেশে রমজানকে পবিত্র হিসেবে নিয়ে প্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম কমানো হয়। আর আমাদের দেশ বড় মুসলিম দেশ হওয়ার পরও সেই সুবিধাতো দূরের কথা নেয্য দামের বিষয়টিও এড়িয়ে যায় তারা। তিনি বলেন, এজন্য নজর দারী বাড়াতে হবে। সরকারী ভবে কঠোর হলে সব কিছু বন্ধ হতে বাধ্য। এই জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। রফিক আলোম বলেন, সরকার যেমন খুন, মাদক, চাঁদাবাজী, ধর্ষণের বিষয়ে কঠোর ঠিক তেমনি দ্রব্যমূল্যের বিষয়ে কঠোর হতে হবে। যারা মজুদ এবং সংকট সৃষ্টি করবে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাহলেই এই বিষয়ে ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। তবে এই বিষয়ে আমাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা বেশি বেশি কিনে মজুদ না করলে বিক্রেতারা এই সুযোগ পায় না। আমাদেরও বাসায় যেন স্টক না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমরা ব্যবসায়ীদের মজুদ করতে উৎসাহিত করি। যারা মজুদ করে এবং যারা কৃত্তিম সংকট তৌরী করে তারা সমান অপরাধী। কেউ কারো চেয়ে কম নয় বেল মন্তব্য করেন তিনি। রফিক আরো বলেন, সব সমস্যার সমাধান বাজার মনিটরিং। সঠিক ভাবে বাজার তদারকি করতে পারলে এই দুষ্টচক্র দমন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *