Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

রাজনীতিতে বিএনপি সরব!

০৪ জানুয়ারি, ২০২২ | ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 104 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপি নেতা তৈমূর আলম খন্দকার। আর নির্বাচন ইস্যুতে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে বিএনপির নেতারা। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সরব রয়েছেন বিএনপির নেতারা। যদিও দলীয় পদ থেকে তৈমূরকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তবে নেতাকর্মীরা বলছেন, এটা রাজনৈতিক কৌশল। এদিকে, তৈমূরের প্রচার প্রচারণায় স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। তৈমূর ছাড়াও বিএনপির অনেক নেতা কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে তাদের মধ্যে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউছার আশা, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, সাগর প্রধান, যুবদল নেতা মহসিন উল্লাহ, যুবদল নেতা দিদার খন্দকার, মহানগর বিএনপি নেতা হান্নান সরকার ও সুলতান আহমেদ উল্লেখ যোগ্য। এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে আশয়া আক্তার দিনা, আফরোজা আক্তার বিভাসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেত্রী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এসকল প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠে সরব হয়েছেন বিএনপির নেতারা। জানাগেছে, দীর্ঘদিন নারায়ণগঞ্জে কর্মসূচি পালন করতে পারেনি বিএনপির নেতাকর্মীরা। কর্মসূচি পালনতো দুরের কথা মামলা হামলার ভয়ে ঠিকমতো বাড়ি ঘরেও থাকতে পারেননি তারা। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা সহনশীল হওয়ায় নিজেদের প্রমাণে সুযোগ পেলেই বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করছেন তারা। তবে নির্বাচন ইস্যূতে বিএনপির নেতারা সরব হয়েছেন স্থানীয় নেতারা। তবে তৈমূরকে অব্যাহতি দেয়ার এনিয়ে জাতীয় ভাবে আলোচনা সৃষ্টি করেছেন। অপরদিকে, তিন মেয়াদে টানা প্রায় এক যুগেরও বেশী সময় ধরে ক্ষমতায় রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। সারাদেশে দল হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হলেও নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে রয়েছে কোন্দল আর বিভক্তি। বিশেষ করে উত্তর মেরু-দক্ষিন মেরুর বিভক্তি চলে আসছে বছরের পর বছর যাবত। সাংসদ একেএম শামীম ওসমান আর সিটি কর্পোারেশনের মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভীর মধ্যকার বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠে কিছুদিন পরপরই। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তৈমূরকে বিজয়ী করতে মাঠে নেমেছেন বিএনপির নেতারা। এব্যাপারে তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমি জনগণের প্রার্থী। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। আমি গত ২০১১ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হওয়ায় দলের সিদ্ধান্তের কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলাম। আমাকে দল থেকে অব্যাহতি দিলেও বিএনপির নেতারা তো আর নৌকায় ভোট দিবে না। তাই সকলের পছন্দে আমি রয়েছি।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *