Home » প্রথম পাতা » সামসুলের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ

রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেসরকারি শিক্ষক সমিতির অফিস

২২ অক্টোবর, ২০২১ | ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 43 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দল হিসেবে আছে সাম্যবাদী দল, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি ও ডেমোক্রেটিক লীগ। কিন্তু এই তিন দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম প্রায় নেই বললেই চলে। এসব দলের মূল ব্যক্তিদের কেউ আছেন দেশের বাইরে, কেউবা নানান কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাসা থেকেই বের হতে পারছেন না। জোট-রাজনীতির ওপর ক্ষোভ দেখাতে দলীয় অফিসমুখী হন না কেউ কেউ। এ কারণে তাদের অফিস থাকলেও ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে আছে, কোনোটি আবার বন্ধ। ২০১২ সালের এপ্রিলে ১৮ দলীয় জোট গঠনের পর যে দুটি দলের যোগদানের ফলে ২০ দলীয় জোটের রূপ পায় বিএনপি-জোট। সেই দুটি একটি হলো সাম্যবাদী দল (একাংশ)। ২০১৪ সালের ৪ জুন সাম্যবাদী দলের (একাংশ) সাঈদ আহমদসহ পাঁচজন নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তৎকালীন ১৯ দলীয় জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত জানায়। এরপর ২৮ জুন তারা যোগ দেন। ফলে ২০ দলীয় জোটে পরিণত হয় বিএনপি-জোট। সাম্যবাদী দলের অফিস, ভেতরে পর্দার পেছনে শিক্ষক সমিতির অফিস ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর দলের মূল ব্যক্তি সাঈদ আহমেদ প্রথমে আমেরিকা ও পরে কানাডায় চলে যান। তার দল হয়ে যায় গন্তব্যহীন। তবে দলের পলিটব্যুরোর জ্যেষ্ঠ সদস্য নারায়ণগঞ্জের হানিফুল কবির জানান, ‘করোনা আসার আগে সাঈদ আহমেদ কানাডায় গেছেন। সেখানে ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী-পরিবারের সঙ্গে আছেন তিনি। তার ভাইবোনেরা আমেরিকা-কানাডায় বসবাস করেন। নেতা আমাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন।’ হানিফুল কবিরের দাবি, ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাসদের অফিসের পাশে তাদের দলীয় কার্যালয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- ২৬ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচায় একটি দ্বিতল ভবনের দোতলায় সাম্যবাদী দলের নামে একটি রুম নেওয়া আছে। কক্ষের প্রবেশপথে দলের ব্যানার টাঙানো। ভেতরে প্রথম অংশে কয়েকটি চেয়ার ও টেবিল, পেছনে ঝোলানো কেন্দ্রীয় অধিবেশনের একটি ব্যানার। ফ্লোরে বিছিয়ে রাখা হয়েছে তোশক। আশেপাশে অন্য কক্ষগুলোতে কয়েকটি পরিবার বসবাস করে। গতকাল দুপুরে সেখানে গিয়ে পাওয়া যায় অন্য আরেকজন। নিজেকে শিক্ষক পরিচয় দিয়ে ভদ্রলোক জানান, সাম্যবাদী দলের এই কক্ষে বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নামে এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রম চলে। এ প্রসঙ্গে দলটির পলিটব্যুরোর সদস্য কুমিল্লার কাজী মোস্তফা কামাল দাবি করেন, সাম্যবাদী দলের সম্পাদক সাঈদ আহমেদ কানাডায় বসবাস করছেন। দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন হোমিও চিকিৎসক নুরুল ইসলাম। মোস্তফা কামালের অভিযোগ, সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহের শর্তে দলের দায়িত্ব নিলেও পরে উল্টো অর্থ আত্মসাৎ করে কানাডায় চলে গেছেন সাঈদ আহমেদ। সেখানে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন। মোস্তফা কামালের দাবি, চলতি বছরের শুরুর দিকে সেগুনবাগিচায় অফিস নেওয়া হয়। এখানকার ভাড়ার কিছু অংশ তিনি নিজেও বহন করেছেন। আগে বিজয়নগরের একটি বাড়িতে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা হতো বলে নিজের দেওয়া তথ্যে যোগ করেন কামাল।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *